অচল হয়ে পড়েছে জগন্নাথপুর

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুর-সিলেট ও জগন্নাথপুর-সুনামগঞ্জ সড়কে রবিবার তৃতীয় দিনের মতো পরিবহন ধর্মঘট চলছিল। সকাল থেকে সব ধরণের যান চলাচল বন্ধ ছিল। মিনিবাসের পাশাপাশি অটোরিকশা, মাইক্রোবাস চলাচল না করায় দুর্ভোগে পড়েন নাগরিকরা। এছাড়াও ট্রাফিক সপ্তাহ চালু হওয়ায় কাগজপত্র না থাকা ও ফিটনেস বিহীন যানবাহন সড়কে বের হয়নি। অটোরিকশা ও টমটম না চলায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর শহরের বিভিন্ন প্রান্তের বাসিন্দারা ভোগান্তির শিকার হন।
ভোগান্তির শিকার পৌর এলাকার শেরপুর গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, যানবাহন বন্ধ রেখে শ্রমিকরা নাগরিকদের কষ্ট দিচ্ছে। ইতিমধ্যে ধর্মঘটের দোহাই দিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ানো হয়েছে।
মজিদপুর গ্রামের আব্দুল মন্নান জানান, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চলছে। অনেক কষ্ট করে এক আত্মীয়কে নিয়ে তিনি গতকাল এক ঘন্টার পথ বিভিন্ন যানবাহনে চার ঘন্টায় পৌঁছেছেন।
জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা আমিনুল হক নামের এক ব্যবসায়ী জানান, তার সন্তান সম্ভাবা স্ত্রীকে নিয়ে গতকাল ডাক্তার দেখাতে সিলেট নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন কিন্তু ধর্মঘটের কারণে বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ফিরে আসতে হয়েছে।
জগন্নাথপুর মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি নিজামুল করিম বলেন, যানবাহন ও পরিবহন শ্রমিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে পরিবহন ধর্মঘট পালন করছি আমরা। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্ত আশরাফুল আলম বলেন, এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শহরের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও ট্রাফিক সপ্তাহ থাকায় যানবাহনের কাগজপত্র ও ফিটনেস পরীক্ষার কাজ চলছে।