অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির দায়ে জগন্নাথপুরে অর্থদণ্ড

জগন্নাথপুর অফিস
নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্বাভাবিক থাকলেও দুপুরের আগেই হঠাৎ করে অস্থির হয়ে উঠে প্রবাসি অধ্যুষিত জগন্নাথপুরের বাজার।
বৃহস্পতিবার সকালে বিকেলে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জগন্নাথপুর পৌরশহরের সদরের জগন্নাথপুর বাজারে জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারি (এস্যিান্ড) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বে থানা পুলিশের উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বেশি দামে পেঁয়াজসহ দ্রব্য বিক্রির করার দায়ে সাতটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
যে সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে সেগুলো হলো হাবিব স্টোর ১০ হাজার, রিয়ান স্টোর ২০ হাজার টাকা, বাউধরণ স্টোর ১০ হাজার, ব্যবসায়ী সিরাজ মিয়া ৫ হাজার, জুবায়ের ৫ হাজার, শংকর রায় ৫ হাজার ও শ্যামপদ ৫ হাজার টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (এসিল্যান্ড) ইয়াসির আরাফাত বলেন, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে মাস্ক, চাল, পেঁয়জসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্র্রব্যসামগ্রীর দাম বাড়াচ্ছে এমন অভিযোগে আমরা অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় সাতটি দোকান থেকে ৬০ হাজার টাকা অর্থদ- আদায় করা হয়েছে। এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করার জন্য ব্যবসায়ীদেরকে সতর্ক করা হয়েছে।
ক্রেতা ও স্থানীয়রা জানান, করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাব বাড়তে থাকায় জগন্নাথপুরে হঠাৎ করে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়ে যায়। গতকাল সকাল ১০টায় দিকে জগন্নাথপুর বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ খুচরা মূল্যে বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হলেও দুপুর ১২ টা থেকে ৬০ খেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।। একইভাবে ১৫ টাকা মূল্যের প্রতিকেজি আলু ২০ থেকে ২৫টা দরে বিক্রি হয়। ৫০ কেজি চালের বস্তায় ১৭০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকায় মূল্যে প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে। এদিকে গতকাল সকাল থেকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে ক্রেতাদের ঢল নামে। নিত্য প্রয়োজনীয় পূণ্যে মজুদ করতে কেউ কেউ বেশি বেশি করে পণ্য ক্রয় করেছেন।
বাজারে আসা মধ্যবিত্ত ক্রেতা তৌরিছ মিয়া বলেন, সকালের দিকে বাজারে খাদ্যদ্রব্যে মূল্যে স্বাভাবিক থাকলেও হঠাৎ করে বাজারে ক্রেতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আলু পেয়াঁজ, চালের দাম বেড়ে যায়। দ্রুত প্রশাসনিক তদারকি না হলেও তীব্র সংকট দেখা দেবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন, বাজার স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।