অন্য বিএনপিকে দেখল সিলেটবাসী

স্টাফ রিপোর্টার
সিলেটে বিএনপির একটাই তকমা ছিল, সবকিছুতে জামায়াত—শিবিরসঙ্গ। এমনকি বিএনপির একক কর্মসূচি হলেও নির্ভরতা ছিল জামায়াত—শিবির। চারদলীয় জোট গঠন করার পর থেকে সিকি শতাব্দীর এই তকমা ঘুচাল বিএনপি। একদিনের গণসমাবেশ পরিবহন ধর্মঘটের কারণে দুইদিনে গড়িয়েছিল। এতেও লাভ দেখছেন নেতারা। দিনরাতের কর্মসূচি নির্বিঘ্ন পালন ও সুশৃঙ্খল দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন।
রাতের কর্মসূচিতে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে সাংস্কৃতিক আয়োজনে রাত পার করে দেওয়া নতুন বিএনপিকে দেখল সিলেটবাসী। এ থেকেই ধর্মাশ্রয়ী রাজনৈতিক দল থেকে তফাৎ প্রকাশ্যে হয়েছে বলে মনে করছেন সাধারণ কর্মীরা।
সিলেটে বিএনপির জামায়াত—শিবির নির্ভরতা বহু পুরনো। জামায়াত—শিবিরের সঙ্গে ভোটের জোট নির্ভরতাকে বাড়িয়ে দেয়। এ অবস্থার প্রথম পদক্ষেপ ছিল বিগত সিটি নির্বাচন। ২০১৮ সালে জামায়াতের প্রার্থী থাকার পরও মেয়র পদে দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে জয়ী হয়েছিলেন দলীয় প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিএনপির জামায়াতসঙ্গ ত্যাগে ভোটের মাঠে কোনো ক্ষতি নেই—তা স্পষ্ট করেছিল সেই নির্বাচন। পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনেও জামায়াত—শিবিরকে এড়িয়ে চলেছে বিএনপি নেতৃত্ব। চার বছর পর বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি জামায়াত—শিবির সহায়তা ছাড়া এককভাবে করতে সফলতা দেখল বিএনপি। জামায়াত তকমা—মুক্ত হলে ক্ষতি নেই—এমন দৃশ্যপট দেখল বিএনপি।