‘অবহেলিত ধর্মপাশা’র নাম গোছাতে উন্নয়ন পরিকল্পনা

এনামুল হক এনি, ধর্মপাশা
গ্রামের নাম ধর্মপাশা। আর গ্রামের নামেই নামকরণ হয়েছে ধর্মপাশা উপজেলার নাম। তবুও বছরের পর বছর ধরে ‘অবহেলিত ধর্মপাশা’ নামক একটি কথা প্রচলিত রয়েছে এখানে। দীর্ঘ বছরে ধর্মপাশা উপজেলার সামগ্রিক উন্নয়ন হলেও ধর্মপাশা গ্রাম এখনও শিক্ষা, বাণিজ্য, যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে। তাই অবহেলিত নাম গোছাতে ধর্মপাশা গ্রামে একটি কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজ, একটি স্টেডিয়াম ও একটি মার্কেট নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১১টায় ধর্মপাশা গ্রামের মড়লপাড়া নামক এলাকায় ‘ধর্মপাশা গ্রাম উন্নয়ন বিষয়ক’ মতবিনিময় সভায় সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমনটি বলেন।
এমপি জানান, ধর্মপাশা গ্রামের উত্তর দিকে সরকারি ‘কাতলাবিল’র অবস্থান। যার আয়তন ১৩ একর। গ্রাম উন্নয়নের স্বার্থে কাতলাবিল ভরাট করে সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্টেডিয়াম ও মার্কেট নির্মাণ করা হবে। গ্রামের সকলেই একমত পোষণ করলে আগামীকাল (রোববার) থেকে বিল ভরাট কার্যক্রম শুরু হবে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ধর্মপাশা গ্রামের বাসিন্দারা এমপির এমন বক্তব্যের সাথে সহমত পোষণ করে কাজে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর কবির, ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বিলকিস, দপ্তর সম্পাদক আজহারুল ইসলাম দিদার, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ. ছাত্তার প্রমুখ।
ধর্মপাশা গ্রামের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা ইউপি সদস্য মেহেদী হাসান উজ্জ্বল বলেন, ‘উপজেলা সদরে একটি মাত্র মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সেখানে প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। এখানে আরও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলা জরুরি।’
ধর্মপাশা গ্রামের পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা কাজী মাজহারুল হক বলেন, ‘এ গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে ওঠলে গ্রামের সামগ্রিক উন্নয়ন হবে আর অবহেলিত নাম গুছোবে। গ্রামের উন্নয়নের কথা চিন্তা করে সবাইকে এ কাজে সহযোগিতা করতে হবে।’
সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন, ‘স্টেডিয়াম করার জন্য আড়াই কোটি টাকা বরাদ্দের চিঠি পেয়েছি। কাতলাবিলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্টেডিয়াম ও মার্কেট নির্মাণের জন্য চলতি মাসের মাঝামাঝি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করা হবে।’