আজাদ মিয়ার খুনীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়ার খুনের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টায় মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের বেতগঞ্জবাজারে এলাকাবাসী ও হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের উদ্যোগে এই মানববন্ধন হয়। মানববন্ধনে কয়েক গ্রামের হাজারো মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা মনির উদ্দিন, সাদকপুর গ্রামের শহীদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য মঈনুদ্দিন, আব্দুল লতিফ ময়না, জামাল উদ্দিন, কফিল উদ্দিন, আবুল হোসেন, নুরুল হক, ইউপি সদস্য কামরুল হাসান, আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হোসেন, হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের মোল্লাপাড়া ইউনিয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলআমিন, সাগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, নিহতের ভাই আফরোজ রায়হান, হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের জেলা কমিটির সংগঠক সালেহীন চৌধুরী শুভ, কুদরত পাশা, শহীদ নূর, মিলন মিয়া, এমরানুল হক চৌধুরী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ‘আজাদ মিয়া বাঁধ নির্মাণে নানা অনিয়ম অসঙ্গতি সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরতেন, কৃষকদের সোচ্চার করতেন। একসপ্তাহ
আগেও কৃষকদের বাঁচাতে হাওর বাঁচাতে দাবি দাওয়া নিয়ে মানববন্ধন করেছেন। কৃষকদের অধিকার আদায়ে সব সময় উচ্চকণ্ঠ ছিলেন তিনি। এ কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছে।’ হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি জানান বক্তারা। মানববন্ধন শেষে বেতগঞ্জ বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেন এলাকাবাসী।
গত বৃহস্পতিবার রাত পৌঁনে ১১ টার দিকে সুনামগঞ্জ শহর থেকে শহরের বড়পাড়ার বাসায় ফেরার পথে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের প্রাইমারী ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সামনের সড়কে দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত হন এই কৃষক নেতা। রবিবার রাত সাড়ে আটটায় তিনি আহত অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
এই ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল হকসহ ৪ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার ১ আসামী ছাড়া ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হকসহ অন্য কেউ এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।