আজ মহাসপ্তমী

স্টাফ রিপোর্টার
দেবী দুর্গার আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গাপূজা। ষষ্ঠী তিথিতে সকাল ৯টা ২৯ মিনিটের মধ্যে দেবীর ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাস।
আজ মহাসপ্তমী। দুর্গাপূজা ক্রমশ এগিয়ে চলেছে মধ্যগগণের দিকে। সকালে ত্রিনয়নী দেবী দুর্গার চক্ষুদান করা হবে। এরপর সকাল ৯টা ৫০মিনিটের মধ্যে দেবীর নবপত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন, সপ্তম্যাদি কল্পারম্ভ ও সপ্তমীবিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হবে। নবপত্রিকা স্নান দিয়ে শুরু হবে মা দুর্গার আরাধনা। এরপর দেবী ঘট বসিয়ে সঙ্কল্পের পালা। ফলনের দেবী হিসেবে মহা-সপ্তমীতে মা দুর্গার পূজা হয়। অন্যান্য আরও ৮টি গাছের সাথে বেল গাছের শাখা কেটে রাখা হয়। এই নয়টি গাছের শাখাকে স্নান করিয়ে পূজার জায়গায় নিয়ে আসা হয় এবং এর পরেই মাটির প্রতিমায় হয় প্রাণ প্রতিষ্ঠা। বলা হয় দুর্গা পুজোর এই ৫ দিনে যত পূজা হয় তার মধ্যে মহাসপ্তমীর পূজাটাই সবচেয়ে বেশি সময়ের। অর্থাৎ সময়সাপেক্ষ পূজা। ফলে শুক্রবার সকাল থেকেই ম-পগুলোতে ব্যস্ততা ছিল তুঙ্গে।
এর আগে বুধবার সারাদেশের পূজাম-পগুলোতে দুর্গা দেবীর বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে এই বোধনের মাধ্যমে দক্ষিণায়নের নিদ্রিত দেবী দুর্গার নিদ্রা ভাঙার জন্য বন্দনা পূজা করা হয়। ম-পে-মন্দিরে পঞ্চমীতে সায়ংকালে তথা সন্ধ্যায় এই বন্দনা পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
করোনাভাইরাসের কারণে এবার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। দুর্গাপূজায় উৎসব-সংশ্নিষ্ট বিষয়গুলো পরিহার করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাত্ত্বিক পূজায় সীমাবদ্ধ রাখা হবে। করোনা মহামারির কারণে এবারের দুর্গাপূজায় নেই তেমন আমেজ। জনসমাগম এড়াতে দেয়া হয়েছে কয়েক দফা নির্দেশনা। গত ১৭ সেপ্টেম্বর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সোমবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে দুর্গাপূজা।