আটক ৫, গ্রামে পুলিশ আতঙ্ক

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা বাবলুসহ ৫ ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। বুধবার রাতে অপর ৪ জনকে আটক করে দাঙ্গা পুলিশ। বর্তমানে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় দিঘলী ও শিবনগর গ্রামে বিরাজ করছে পুলিশ আতঙ্ক।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত শিবনগর গ্রামের খুরশিদ আলীর পুত্র ইয়াকুব আলীর মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দিঘলী গ্রাম প্রায় পুরুষ শূন্য হয়ে পড়ে। থানা ও দাঙ্গা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে সংঘর্ষে জড়িত থাকার সন্দেহে দিঘলী কালীদাসপাড়া গ্রামের জিয়াউল হকের পুত্র সাহেদ আলম(২৭), সুবোধ পালের পুত্র সজীব পাল (১৮), সুভাষ পাল (২২) ও সৈলেন ঘোষের পুত্র নির্মল ঘোষ (২১) কে আটক করে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত আরো একজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়াতুন্নবীসহ পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় এখনো কোন মামলা দায়েরের খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে সংঘর্ষে নিহত ইয়াকুব আলীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বিকল ৫ টায় শিবনগর গ্রামের মসজিদ প্রাঙ্গণে যানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে নিহতের দাফন সম্পন্ন হয়। বুধবার সন্ধ্যা রাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলার দিঘলী ও শিবনগর গ্রামবাসীর মধ্যে দফায়-দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে ইয়াকুব আলী নামের এক ব্যক্তি নিহত ও শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ শতাধিক রাউন্ড গুলি ও ৩০ রাউন্ড টিআরসেল নিক্ষেপ করে। গোবিন্দগঞ্জ পুলের মুখ ও আশপাশ এলাকায় জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। ছাতক থানার ওসি মোস্তফা কামাল আটকের কথা স্বীকার করে জানান, সংঘর্ষে জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।