আধুনিক পৌর পার্ক- ফলক ছাড়া কিছুই নেই

আল আমিন
আধুনিক পৌর পার্কের ফলক ছাড়া কিছুই নেই। প্রায় আড়াই বছর আগে এই পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সুনামগঞ্জ পৌরসভার প্রয়াত মেয়র আয়ূব বখত জগলুল। তিনি আকাঙ্খিত পৌর পার্কের কাজ সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। বর্তমান মেয়রের সময়কালেও পার্কের তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। অথচ. শহরের বিনোদন প্রেমিদের জন্য নেই কোনো বিনোদন কেন্দ্র।
জানা গেছে, সুনামগঞ্জ পৌরশহরের সুলতানপুর (নতুন হাছননগর) এলাকায় ছয় একর জমি নিয়ে একটি আধুনিক পৌর পার্ক নির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন প্রয়াত পৌর মেয়র আয়ুব বখত জগলুল। ২৪ নভেম্বর ২০১৫ সালে এই পার্কের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। পার্কের চিহ্নিত এই জমিতে থৈ থৈ পানি। এই পার্কের যাতায়াত সড়কের ও বেহাল দশা।
স্থানীয়রা জানালেন, সুনামগঞ্জ শহরের বিনোদন প্রেমিদের কোন স্থান নেই বললেই চলে। শহরতলির দৃষ্টিনন্দন ধারারগাঁও পার্কের কাজ ও এখনো অসম্পুর্ণ। যদি পৌর পার্ক চালু হয়, এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশি বিনোদন প্রেমিরা একটি বিনোদনের স্থান পাবেন।
সুলতানপুর গ্রামের আব্দুল আলী বলেন,‘দুই বছর আগে এই পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলেও এখনো কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। এই পার্ক চালু হলে সুনামগঞ্জে আসা পর্যটকদেও ও শহরে সময় কাটানোর একটি স্থান হবে।’
একই গ্রামের আল আমিন বলেন,‘২০১৫ সালে এই পার্কের উদ্বোধন করা হলেও এখনো পর্যন্ত কেউ আর কোনো খবর ও নেয়নি। কীভাবে আছে এই পার্ক। পার্কটি চালু হলে সুনামগঞ্জবাসীর জন্য বিশেষ করে বাচ্চাদের একটি বিনোদন স্থান হতো। পর্যটকরা আইতো আনন্দ পাইতো।’
সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মীর মোশারফ হোসেন জানান, আধুনিক পৌর পার্কের জমি চিহ্নিত করে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। এটি করতে অন্তত ৫০ থেকে ১’শ কোটি টাকা লাগবে। অনেক ব্যয় বহুল প্রজেক্ট এটি। আমরা এই পার্কটি প্রজেক্টে ঢুকানোর চেষ্টায় আছি। লোকাল টাকা দিয়ে এটি করা সম্ভব নয়। মেয়র মহোদয় চেষ্টায় আছেন, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে আমাদের সমন্বয় আছে। আশা করছি পার্কের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।’