আবারও আলোচনায় যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা কয়ছর

স্টাফ রিপোর্টার
আবারও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মুখে মুখে আলোচনায় জগন্নাথপুরের বাসিন্দা যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদের নাম। সুনামগঞ্জ জেলা যুব ও ছাত্রদলের কমিটি তাঁর পছন্দেই হয়েছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। এ কারণে পদবঞ্চিতরা নাখোশ তার উপর।
গত পহেলা জুন আবুল মুনসুর শওকতকে সভাপতি ও অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ কয়েছকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০ সদস্যের সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের কমিটির অনুমোদন দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। ৫ জুন রায়হান উদ্দীনকে সভাপতি ও আব্দুল কাদির সোহাগকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০ সদস্যের ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা দেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
পদবঞ্চিতরা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এই দুই অঙ্গসংগঠনের নতুন জেলা কমিটি নিয়ে ক্ষুব্ধ। ক্ষুব্ধদের কেউ কেউ মনে করছেন কমিটি গঠনে নেপথ্যে কাজ করেছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ।
জেলা যুবদলের বিগত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এটিএম হেলাল নতুন কমিটিতে সভাপতি হতে আগ্রহী ছিলেন। নতুন কমিটি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বললেন,‘বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম ব্যবহার করে যুক্তরাজ্যের এক নেতার অদৃশ্য ফোনে যুবদল-ছাত্রদলের কমিটি হয়েছে। এই কমিটিগুলো আন্দোলন সংগ্রামে কোন ভূমিকা রাখতে পারবে না। যারা কোন দিন যুবদল করেনি, তাঁদেরকে যুবদলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
জেলা যুবদলের সভাপতি আবুল মুনসুর শওকত বলেন,‘অযথা কাউকে দোষারোপ করা ঠিক নয়। যুবদলের কমিটিতে নেতৃত্ব পাবার জন্য ৫ বছর ধরেই তদবির হচ্ছে। যারা নেতৃত্ব পেতে আগ্রহী সকলেরই কেন্দ্রে শুভানুধ্যায়ী ছিলেন। খোঁজ খবর নিয়েই কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নেতৃত্ব বাছাই করেছেন।’
জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বলেন,‘কমিটি ভাল হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অসংগতি হয়েছে। রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে থাকা অনেকেই মূল্যায়িত না হবার লক্ষণ দেখা গেছে। লিখিতভাবে আমরা এসব কেন্দ্রে জানাবো। আমরা চাই রাজপথের ত্যাগি নেতারা মূল্যায়িত হোক।’
যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ ফোন রিসিভ না করায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত. কয়ছর এম আহমদ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি যুক্তরাজ্য বিএনপিতে দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আস্থাভাজন হিসাবে পরিচিত তিনি।