আসাম চলচিত্র মেঘা টু’র অভিনেতা ছাতকের মিলন সিংহকে সম্মননা প্রদান

ছাতক প্রতিনিধি
ভারতের আসামী চলচিত্র মেঘা টু সিনেমার সফল অভিনেতা ছাতকের মিলন কুমার সিংহকে সম্মননা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় মণিপুরী সমাজকল্যাণ সমিতি সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে সিলেট নগরীর ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের কনফারেন্স হলে আয়োজিত শিল্পী সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক মতবিনিময় সভায় তাকে এ সম্মননা প্রদান করা হয়।
মণিপুরী সমাজকল্যাণ সমিতি সিলেট জেলা শাখার সভাপতি নির্মল কুমার সিংহের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক সংগ্রাম সিংহের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিষ্ট আল আজাদ, সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ রেনু, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছামির মাহমুদ, মহান মুক্তিযুদ্ধের কন্ঠযোদ্ধা বরেণ্য সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাাদ হিমাংশু বিশ্বাস, সাংবাদিক সাত্তার আজাদ, সাংবাদিক আকাশ চৌধুরী, গীতকবি আহমেদ বকুল, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব দীপাল কুমার সিংহ, সাংস্কৃতিক সংগঠক ডা. ইউকে সিনহা, সাংবাদিক অমিতা সিনহা, সংস্কৃতিকর্মী বিধান চন্দ্র রায়, প্রসন্ন কুমার সিংহ, রণজিৎ সিংহ, বাংলাদেশ মণিপুরী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শান্তু মণি সিংহ, সাংস্কৃতিক কর্মী অনিল রাজ কুমার, রথীন্দ্র কুমার সিংহ, লিটন সিংহ প্রমুখ।
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে গীতিকবি সৈয়দুর রহমান, শিল্পী এন আর নারায়ণ, আসামের চলচ্চিত্র মেঘা টু’র পরিচালক ও অভিনেতা সিদ্ধার্থ সিনহা (ভারত), অভিনেতা মিলন সিংহ (বাংলাদেশ) ও শিল্পী ঋষি সিনহা (ভারত)’র হাতে সম্মননা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সিলেটের সাহিত্য-সংস্কৃতি বিশ্বময় ছড়িয়ে রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করা বাঙালিরা বিদেশের মাটিতে সিলেটের সংস্কৃতি বুকে লালন ও চর্চা করে চলেছেন। বিশ্ব বাংলাভাষীদের হৃদয় জুড়ে রয়েছে বৃহত্তর সিলেটের প্রখ্যাত বাউল সাধক দূর্বিণ শাহ, রাধারমন, হাসন রাজা, আব্দুল করিম করিম, আরকুম শাহ ও রমিজ শাহ’র লেখা কালজয়ী গান। সিলেটের সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক চর্চা এপারে-ওপারে এখনো বহমান। তাই আসামের বাংলাভাষীদের সাথে সিলেটের সেতুবন্ধন গড়ে তোলা সময়ের দাবি। এতে এপার-ওপার বাংলার সিলেটি, বাংলা ও বাঙালির সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বেগবান করা যাবে।
অনুষ্ঠান শেষে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সিলেটে পদার্পণের ১০৩তম স্মরণোৎসব বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালন করায় বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদ ও মাছিমপুরের সকল আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ হয়।