উপজেলা পর্যায়ে ভাল ও খারাপ ফলাফল যাদের

স্টাফ রিপোর্টার
গণিত ও ইংরেজী বিষয়ের কারণে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল খারাপ হয়েছে অনেক শিক্ষার্থীর। জেলায় পাশের হার ও জিপিএ-৫ অর্জনে সফলতা দেখিয়েছে ছাতক উপজেলা। খারাপ করেছে বিশ্বম্ভরপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ।
জানা যায়, জেলার সদর উপজেলায় সরকারি বিদ্যালয় দুইটির মধ্যে ভাল করেছে সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়, ২৪৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ২৪২ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪ জন, পাশের হার ৯৮.৩৭। সরকারি এস.সি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ২৩৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৮ জন, পাশের হার ৯৭.৫৩।
বেসরকারিভাবে সদর উপজেলার ফলাফলে ভাল করেছে শান্তিগঞ্জ মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৪ জন পাশ করেছে, ফেল করেছে ২ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন, পাশের হার ৯৪.৪৪%।
সবচেয়ে খারাপ করেছে ইয়াকুব উল্লাহ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়, ২৪১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১০৩ জন, ফেল করেছে ১৩৮ জন, পাশের হার মাত্র ৪২.৭৩ ভাগ।
জামালগঞ্জের ভাল ফলাফল করেছে জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, ২৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১৬৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২টি, পাশের হার ৬৫.৪৯। সবচেয়ে খারাপ করেছে আলহাজ্ব ঝুনু মিয়া হাইস্কুল, ৬৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৫ জন পাশ করেছে, ফেল করেছে ৪১ জন। পাশের হার ৩৭.৮৮।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ভাল করেছে জয়কলস উজানীগাঁও রশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, ১১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৮৮ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন, পাশের হার ৮০ ভাগ। সবচেয়ে খারাপ করেছে আব্দুর রশিদ উচ্চ বিদ্যালয়, ৯৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৩১ জন, পাশের হার ৩৩ ভাগ।
ছাতকের সেরা ফলাফল অর্জন করেছে উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়, ৪২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৩৮৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮টি, পাশের হার ৯১.২৭%। অন্যদিকে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে কালারোকা ইউনিয়নের রামপুরের শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়, ৩৯ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে পাশ করেছে ২০ জন, পাশের হার ৫১.২৮, জিপিএ-৫ পায়নি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী।
দোয়ারাবাজারে ভাল করেছে সমুজ আলী স্কুল এন্ড কলেজ, ১২৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১১০ জন, পাশের হার ৮৭ ভাগ। সবচেয়ে খারাপ করেছে দোয়ারাবাজার মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, ১৬০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৫৭, পাশের হার ৩৫ ভাগ।
জগন্নাথপুর উপজেলার ভাল ফলাফল করেছে সরুপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, এই বিদ্যালয়ের ৬৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৬১ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫টি, পাশের হার ৯২.৪২ ভাগ। সবচেয়ে খারাপ করেছে গুলবাহার উচ্চ বিদ্যালয়, ২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে মাত্র ৮ জন, পাশের হার ৩২ ভাগ।
শাল্লা উপজেলার দুইটি প্রতিষ্ঠান ভাল ফলাফল অর্জন করেছে। উপজেলা সদরের শাহিদ আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১২৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১৯ জন পাস করেছে, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫টি, পাশের হার ৯২.২৫ ভাগ। পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৩২ জন, পাশের হার ৯৬.৯৭ ভাগ। অপরদিকে খারাপ ফলাফল করেছে সরলাল উচ্চ বিদ্যালয়, ৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে মাত্র ১৮ জন, পাশের হার ২৯.০৩ ভাগ।