উসকানিমূলক পোস্ট না দেয়ার শর্তে জামিন পেলেন ঝুমন

স্টাফ রিপোর্টার
মুচলেকা দিয়ে হাইকোর্ট থেকে ৬ মাসের জামিন পেয়েছেন শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের ঝুমন দাশ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আর উসকানিমূলক পোস্ট দেবে না, এই শর্তে তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে। রবিবার বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
ঝুমন দাসের আইনজীবী জেড আই খান পান্না এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ফেসবুকে উস্কানীমূলক পোস্ট দেয়ার কারণে গত ৩১ আগস্ট শাল্লা থানা পুলিশ থানায় নিয়ে ঝুমন দাশ কে জিজ্ঞাসবাদ করে। পরে রাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয় ঝুমনকে। পরের দিন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ শেষে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
ঝুমন দাসের স্ত্রী সুইটি রানী দাস বলেন, মহামান্য হাইকোর্টের কাছে আমার স্বামীর নিঃশর্ত মুক্তি চেয়েছিলাম। কিন্তু হাইকোর্ট ৬ মাসের জামিন দিয়েছেন। তিনি বলেন, মামলা চালানোর আর্থিক সক্ষমতা আমার নেই। স্বামীর নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। কোথাও গিয়ে যে কাজ করবেন, সেই ভরসাও পাচ্ছি না।
প্রসঙ্গত, ফেসবুকে হেফাজতের সাবেক নেতা কারাবন্দি মামুনুল হকের সমালোচনার অভিযোগে গত বছরের ১৬ মার্চ গ্রেপ্তার হন শাল্লা উপজেলার দুর্গম নোয়াগাঁও গ্রামের যুবক ঝুমন দাশ। সাড়ে ৬ মাসের অধিক জেল খেটে ওই বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ি ফিরেন ঝুমন। ২০২১ সালের ১৭ মার্চ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই গ্রামে তা-ব চালায় মামুনুল হকের অনুসারীরা।