এখনও জমেনি ঈদের পোশাক বাজার

কামরান আহমেদ
ঈদের আর মাত্র ১৫-১৬ দিন বাকি। কিন্তু জেলা শহরের গামের্ন্টসগুলোতে সেভাবে কেনাকাটা জমে না উঠলেও সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বিক্রয়কর্মী ও ব্যবসায়ীরা। সাধ আর সাধ্যের মধ্যে থেকে পছন্দের পণ্যটি কিনতে সকলেই ছুটছেন এক মার্কেট থেকে আরেক মার্কেট। কেউ কিনছেন আর কেউ দামদর করে চলে আসছেন পরে কিনবেন বলে। বৃহস্পতিবার বিকালে শহরের ঈদ বাজারের মার্কেট গুলো ঘুরে দেখা যায়, এ বছর কেনাকাটার জন্য তেমন ভিড় জমেনি বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে। সুরমা মার্কেট, মধ্যবাজার, দোজা মার্কেট, নেজা প্লাজা সহ অভিজাত কয়েকটি শপিংমল ছাড়া অন্য মার্কেট গুলোতে তেমন ক্রেতা ও দর্শনাথী নেই বললেই চলে। তবে বিক্রেতারা জানান, ঈদের বাজারের কেনাকাটা এখনও জমে উঠেনি। আশা করছি ২০ রোজা থেকে পুরোদমে জমে উঠবে ঈদের বাজার। তারা আরো জানান, এই বছর ক্রেতাদের আর্কষণ বাড়াতে বাজারে নতুন নতুন নামের বিভিন্ন রকমের কাপড় দোকানে তুলেছি। সেগুলো হল, মেয়েদের জন্য বাহারি রংঙ্গের থ্রিপিছ যেমন, কারিনা, সারারা, গাউন, মহারানী, মিষ্টিরাণী, লাল ঝলক, কুমরী, হাজার ফুল, ময়ুরী, আল্পনা, রাজমহল, বকুল ফুল ইত্যাদি। ছেলেদের জন্য রয়েছে, পিকে প্যান্ট, জিস্টার প্যান্ট, বাগিটু প্যান্ট, টাইগার জিন্দা হে প্যান্ট ইত্যাদি সহ নানা রকমের কাপড়।
নেজা প্লাজার কাপড় বিক্রয়তা সুমন আহমেদ জানান, এখনও কেউ কিছু না কিনলেও দোকানে এসে জিজ্ঞেস করছেন এই বছর নতুন কি ড্রেস বাজারে এসেছে।
সুরমা মার্কেটের জাহেদুল হক বলেন, সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দোকানে বসে সময় পাড় করতে হয়। ঈদ বাজারের বিকিকিনি এখনও জমে উঠেনি তবে আশা করি ২০ রমজানের পর থেকে ঈদের বাজার জমে উঠবে।
ক্রেতা চম্পা আক্তার বলেন, আমি সরকারী কলেজে ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী, প্রাইভেট শেষ করে বান্ধবীদেরকে নিয়ে মার্কেটগুলো ঘুরে দেখছি। তবে এখনও ইদের জন্য কিছু কিনিনি। জিজ্ঞেস করে যাচ্ছি যে এই বছর নতুন কি কি ড্রেস বাজারে এসেছে।
ক্রেতা সাবিনা আক্তার জানান, রমজান শেষে প্রতি বছর আমরা এই ঈদে আমাদের চাহিদা অনুযায়ী নিজ পছন্দের কাপড় কিনে থাকি। তাই বাজারে নতুন নতুন কাপড় কি কি আসছে দেখছি এবং একটি মিষ্টি রানী থ্রিপিছ কিনেছি।
মৌ ফ্যাশনের বিক্রেতা নয়ন তালুকদার জানান, এই বছর এখনও ঈদের তেমন একটা বিকিকিনি করতে পারিনি। সকালে পর্যন্ত মধ্য রাত পর্যন্ত দোকানে বসে থাকি। ক্রেতারা আসেন, কাপড় দেখেন, কেউ নিয়ে যান আবার কেউ বলেন পরে নিবেন। তবে আশা করি কয়েক দিনের মধ্যে ঈদ বাজার জমে উঠবে।