এরশাদ আসছেন আজ- ঘোষণা হতে পারে সদর আসনের প্রার্থী

বিশেষ প্রতিনিধি
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ সুনামগঞ্জে আসছেন আজ (রোববার)। স্থানীয় জাপার আয়োজনে শহরের সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ভাষণ দেবেন এরশাদ। জাপা নেতারা জানিয়েছেন,‘সমাবেশে ৫০ হাজার মানুষের জমায়েত ঘটাতে চান তাঁরা’। সংগঠনের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, এই সমাবেশেই সুনামগঞ্জ সদর আসনে জাপার প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেন এরশাদ। এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্যসহ তিন নেতা জাপার মনোনয়ন প্রত্যাশী। এরা হলেন- বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্, প্রয়াত মন্ত্রী ইকবাল হোসেন চৌধুরীর ছেলে ইনান ইসমাম হোসেন চৌধুরী এবং জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির যুক্তরাজ্য শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান।
জাপার এই সমাবেশ সফল করার জন্য গত কয়েকদিন ধরেই স্থানীয় সংসদ সদস্য জেলা জাপার আহ্বায়ক পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্সহ দলীয় নেতারা ইউনিয়নে ইউনিয়নে গণসংযোগ করছেন।
এরশাদের আগমনকে কেন্দ্র করে মল্লিকপুর থেকে বালুর মাঠ পর্যন্ত পথে পথে অনেক তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমানের সমর্থকরাই বেশি তোরণ নির্মাণ করেছেন। মনোনয়ন প্রত্যাশী যুক্তরাজ্য প্রবাসী কামরুজ্জামানের পক্ষেও দুটি তোরণ নির্মাণ হয়েছে।
জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্ বললেন, ‘সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে গত ৫ বছরে জাতীয় পার্টি অনেক শক্তিশালী হয়েছে। এসব ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এবং বিভিন্ন গ্রাম থেকে ৪০ হাজার জাপা নেতা-কর্মী এসে সমাবেশে যোগ দেবেন। শহর এবং শহরতলি থেকে আরও কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের জমায়েত আশা করছি আমরা। স্মরণকালের সবচেয়ে বড় গণ জমায়েতের চেষ্টা করা হচ্ছে জাপা চেয়ারম্যানের এই সমাবেশে।’
সমাবেশ থেকে সুনামগঞ্জ-৪ (সদর উত্তর- বিশ্বম্ভরপুর) আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হবে কী-না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন,‘দেখা যাক কী বলেন তিনি’।
এই আসনে জাপার সাবেক সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত মেজর অব. ইকবাল হোসেন চৌধুরী ও প্রয়াত সংসদ সদস্য মমতাজ ইকবালের ছেলে মনোনয়ন প্রত্যাশী ইনান ইসমাম হোসেন চৌধুরী বললেন, ‘দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ স্যার সুনামগঞ্জে আসায় আমরা আনন্দিত, আমি তাঁর সঙ্গে সার্কিট হাউসে গিয়ে দেখা করবো, এই আসন আমার বাবা- মা’র জানিয়ে আগামী নির্বাচনে এখানে দলের প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অনুমোদন চাইবো। তিনি যদি আমাকে সুযোগ না দেন এবং মহাজোটের প্রার্থী হিসাবে জাতীয় পার্টির অন্য কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো।’