এ যেন এক টুকরো বাংলাদেশ

সু.খবর ডেস্ক
এবারের এশিয়া কাপের ভেন্যু ঘোষণার পর থেকেই সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসীদের মাঝে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি হয়। ঘরের মাঠে প্রিয় দলের খেলা দেখার সুযোগবঞ্চিত প্রবাসীরা তাই যেন কোমর বেঁধেই নেমে পড়েন টিকিট সংগ্রহে। একদিকে অনলাইন, অফলাইনে টিকিট সংগ্রহ, অন্যদিকে লাল-সবুজের পতাকা, বাংলাদেশের জার্সি আর প্ল্যাকার্ড তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটে তাদের।
শনিবার ছিল সরকারি ছুটির দিন। দুবাইয়ের স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ৩টায় ম্যাচ শুরুর কথা থাকলেও সকাল ১১টা থেকে দর্শক আসতে শুরু করেন স্টেডিয়ামে। কেউ একা, কেউ বা দল বেঁধে আসে, ধীরে ধীরে ভরে উঠতে শুরু করে গ্যালারি।
দুবাইয়ে এটিই বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ। ম্যাচ ঘিরে তাই বাড়তি আকর্ষণ ছিলই। দুপুরের পর লাল-সবুজের পতাকা হাতে বাংলাদেশের জার্সি পরিহিত হাজার হাজার দর্শক কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে প্রবেশ করেন গ্যালারিতে। ‘টাইগার, টাইগার, বাংলাদেশ বাংলাদেশ’ স্লোগানে ভারি হতে থাকে মরুর বাতাস।
টস জিতে বাংলাদেশ দল ব্যাটিংয়ে নামার পর থেকে বাংলাদেশি সাপোর্টারে স্টেডিয়ামের প্রায় সবক’টি গ্যালারি ভরে যায়। গ্যালারির প্রায় ৮০ ভাগ দর্শকই ছিলেন বাংলাদেশি। মাঝে মাঝে শ্রীলংকান সাপোর্টারদেরও নজরে পড়েছে। তবে তা সংখ্যায় খুবই কম।
বাতাসের উষ্ণ ছোঁয়ায় পতপত করে উড়তে থাকা বাংলাদেশের পতাকা আর লাল-সবুজের জার্সিতে সজ্জিত প্রবাসীদের মিলনস্থল দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম যেন পরিণত হয় এক খণ্ড বাংলাদেশে। প্রিয় দল, প্রিয় ক্রিকেটারদের সরাসরি দেখতে পেয়ে তাদের চোখেমুখে আনন্দ খেলা করে। গরমের তীব্রতা অনেক হলেও তাদের কাছে মিরপুর বা চট্টগ্রামের মতোই উপভোগ্য হয়ে ওঠে বাংলাদেশ-শ্রীলংকার ম্যাচ।
প্রথম দিকের রানখরা কাটিয়ে প্রত্যাশা পূরণের দ্বারপ্রান্তে এনে দেওয়া মুশফিকুর রহিমের শতক দর্শকদের মনের জোর বাড়ায়, চোট নিয়েই ব্যাট করতে নেমে পড়া তামিমের জন্য তাদের উল্লাস ছিল দেখার মতো।
সূত্র : সমকাল