কমেছে কিছু সবজির দাম

পুলক রাজ
অতীতে এমন চেহারা দেখেনি কেউ। শুনশান রাস্তাঘাট। বন্ধ দোকানপাট। হাটও প্রায় জনমানবশূন্য। করোণা আতংকে মানুষ ঘরবন্দি। যেন করোনা ভাইরাসের সাথে মানুষের যুদ্ধ ঘোষণা হয়েছে। নিত্য সকালে মানুষের ভিড়ে গমগম করে যে বাজার গুলো সেখানে হাতে গোনা বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতা নেই। এরই প্রভাব পড়ে বাজারে দাম কমেছে কিছু সবজির। বেশীরভাগ সবজির দাম কেজিতে ৫-১০টাকা পর্যন্ত কমেছে।
বাজারে ডুগি, বিভিন্ন ধরনের শাক, শিম, বেগুন, লুবিউড়ি, গাজর, কাঁচামরিচের দাম কমেছে। তবে সামান্য বেড়েছে আলুর দাম। ২২ টাকা থেকে ২৫ টাকায় প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। এর বাইরে কোন সবজি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন সবজি আমদানী প্রায় নেই বললেই চলে। একদিকে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বাজারে মানুষ আসা কমে যাওয়া দাম কিছু কমেছে বলে জানিয়েছেন সবজি ব্যবসায়ীরা। বাজারে অলস সময় কাটাচ্ছেন সবজি ব্যবসায়ীরা। কিছু ব্যবসায়ী সবজি নিয়ে বসেছেন সরকারী জুবিলী উচ্চ বিদালয়ের (বালুর) মাঠে।
শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন আলু ২৫, পুরাতন আলু ২০, শিম প্রতি ১৫টাকা, করলা ২৫টাকা, বেগুন ১০টাকা, লুবিউড়ি ২০ টাকা, গাজর ৩০টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
সবজি বিক্রেতা মেরাজ মিয়া বলেন, গতকাল ১৫ টাকা করে ডুগি বিক্রি করেছি। আজ ১০ টাকা করে বিক্রি করতে হচ্ছে। নালি শাক ৩ মুট গতকাল বিক্রি করেছি ২০ টাকা। আজকে ৪ মুট বিক্রি করেছি ২০ টাকায়।
বিক্রেতা মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, শিম ৫ টাকা কমেছে। ১৫ টাকা করে প্রতি কেজি বিক্রি করেছি। নতুন আলু ২৫ টাকা, পুরাতন আলু ২০ টাকা, করলার দাম কেজি প্রতি ৫টাকা বেড়েছে। ২৫ টাকা প্রতি কেজি। বেগুনের কেজি ১০। কেজিতে দাম কমেছে ৫ টাকা। লুবিউড়ি কেজি ২০ টাকা। দাম কমেছে ১০টাকা। গাজর কেজিতে ৫ টাকা কমেছে। প্রতি কেজি ৩০ টাকা করে বিক্রি করছি।
সুনামগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতি বাজার বিষয়ক সম্পাদক মো. ওয়াসিম আহমেদ বলেন, ব্যবসায়ীরা মাঠে মারা যাচ্ছে। পিঁয়াজ, রসুন পঁচে যাচ্ছে। ভাইরাসের সংক্রমণের ভয়ে মানুষ বাজারে আসছেন না। মানুষ নিরাপদে ক্রয় করার জন্য কাঁচা বাজার আলাদা করে সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যলয় মাঠে নেয়া হয়েছে।