করোনা সংক্রমণের ৮৩ ভাগই ঢাকায়, সিলেটে ১ দশমিক ৫৭ ভাগ

সু.খবর ডেস্ক

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন সারাদেশে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

মরণঘাতী এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের ৮৩ দশমিক শূন্য ৭ ভাগই ঢাকার। সবচেয়ে কম রয়েছে রাজশাহী বিভাগে। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১ দশমিক ৫৩ ভাগ। শনিবার দুপুরে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

নাসিমা সুলতানা জানান, এখন পর্যন্ত ঢাকা বিভাগেই সর্বোচ্চ পরিমাণ করোনা শনাক্ত হয়েছে। ১ মে’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে ৮৩ দশমিক শূন্য ৭ ভাগ, চট্টগ্রামে ৪ দশমিক ৬ ভাগ, সিলেটে ১ দশমিক ৫৭ ভাগ, রংপুরে ১ দশমিক ৮০ ভাগ, খুলনায় ২ দশমিক ২০ ভাগ, ময়মনসিংহে ৩ দশমিক ৭১ ভাগ, বরিশালে ১ দশমিক ৬৯ ভাগ এবং রাজশাহী বিভাগে ১ দশমিক ৫৩ ভাগ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) মোট ৫ হাজার ৮২৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫৫২ জনের দেহে করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এতে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৮ হাজার ৭৯০ জনে।

ডা. নাসিমা জানান, শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৫ জনে। নতুন মারা যাওয়া পাঁচজনই ঢাকার। এদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুই জন নারী।

অপরদিকে আগে থেকেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা আরও ৩ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন জানিয়ে ডা. নাসিমা বলেন, এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া ১৭৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর সিস্টেম সায়েন্সেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (সিএসএসই) তথ্য অনুযায়ী, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩ লাখ ৫৯ হাজার ৫৫ জনে। এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৯৯ জনের। আর ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১০ লাখ ৫৯ হাজার ২৭৫ জন।
সূত্র : সমকাল