কাজীর পয়েন্টে জলাবদ্ধতায় পথচারীদের ভোগান্তি

স্টাফ রিপোর্টার
বৃষ্টি হলেই শহরের কাজীর পয়েন্টে একটি এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা যাতায়াতে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে কাজীর পয়েন্ট এলাকা থেকে নদীরপাড় অভিমুখে আসা-যাওয়ার রাস্তার মুখে এই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে আসছে। এই রাস্তার দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
এই জলাবদ্ধতার রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন মসজিদের মুসল্লি, ক্ষুদে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক এবং অফিস-আদালতে আসা মানুষজন নানাভাবে ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছেন।
এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন কাজীর পয়েন্ট জামে মসজিদের শত শত মুসল্লি আসা-যাওয়া করে থাকেন। এই রাস্তা দিয়ে সদর উপজেলা ভূমি অফিসে, বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলে, বিআরডিবি অফিসে, তহশীল অফিসে, স্যাটেলমেন্ট অফিসে, ‘স’মিলে, কাজী অফিসে আসা-যাওয়া করেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষজন। এই এলাকায় রয়েছে সাবেক হুইপের বাসা সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের বাসা। এই রাস্তার মুখ এলাকায় রয়েছে কয়েকটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। এই রাস্তা দিয়েই চলাচল করেন সরকারী প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পর্যায়ের অফিসারগণ।
পথচারী সুহেল মিয়া বলেন,‘আমি সপ্তাহে দুই একদিন এই রাস্তা দিয়ে আসা-যাওয়া করি। জমে থাকা পানিতে পা ভিজিয়ে আসা-যাওয়া করতে হয়। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার চাই।’
মসজিদের মুসল্লি নুরুল ইসলাম বলেন,‘পানিতে পা ভিজিয়ে মসজিদে যেতে হয়। আবার মসজিদ থেকে বেরিয়ে এই পানিতে পা ভেজাতে হয়। এটা আমাদের জন্য মারাত্মক ভোগান্তি।’
নবীনগরের শহীদ মিয়া বলেন,‘আমি প্রায়ই ভূমি অফিসে আসি। এই রাস্তার কথা মনে হলে মন চায় না আসতে। তবুও রিক্সা দিয়ে আসা-যাওয়া করি। এই রাস্তা দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।’
সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মীর মোশারফ হোসেন বলেন,‘কাজীর পয়েন্টের জলাবদ্ধতা নিরসন হবে ৫-৬ দিনের মধ্যে। জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ শুরু হয়েছে। আশা করি মানুষের ভোগান্তি কমে আসবে।’