কাপনা গ্রামে জায়গা সংক্রান্ত ঘটনায় মিথ্যা মামলা দায়ের করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের কাপনা গ্রামে জায়গা সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় মিরাজুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি কারাগারে থাকার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় কাপনা গ্রামে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,‘কাপনা গ্রামের মিরাজুল ইসলাম এবং রমজান আলী পাশাপাশি বাসিন্দা। কিছুদিন আগে উভয়ের মধ্যে জায়গা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মারামারি হয়। এই ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মিরাজুল ইসলামের কানের কিছু অংশ কেটে যাওয়ায় গুরুতর আহত হন তিনি। এ সময় অপর পক্ষেরও ২/১ জন আহত হন। পরে এই ঘটনার জের ধরে বিবাদী পক্ষ একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন সুনামগঞ্জের আদালতে। এই মিথ্যা মামলা দায়ের করার পর গত মঙ্গলবার আদালতের নির্দেশে মিরাজুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়।
অপরদিকে রমজান আলীর মামা আজিজুর রহমান জানান, মারামারির ঘটনায় মিরাজুল ইসলাম গংদের মামলায় রমজান আলী কারাগারে আছেন। মারামারির ঘটনায় ৩-৪ জন আহত হয়েছেন। এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন সবুজ ও মিলন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত আহত সুফিয়া খাতুনের মেয়ে জেসমিন আক্তার বলেন,‘আমার মা সুফিয়া খাতুন প্রায় ১ বছর আগে বাড়ির আঙিনায় পেয়ারা পাড়তে গিয়ে চেয়ার থেকে পড়ে হাতে আঘাত পান। জায়গা সংক্রান্ত ঘটনায় তিনি আঘাত পাননি।’
৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আক্তার জানান, আমি ঘটনার দিন উপস্থিত ছিলাম। নিজেদের মধ্যে জায়গা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার সময় সুফিয়া খাতুন আহত হয়েছেন কি না তা আমি জানি না। এটা সাজানো ও মিথ্যা মামলা।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মথুরকান্দি এলাকার গড়েরগাঁও গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশীদ, কাপনা গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি হাদিস মিয়া, নুর মোহাম্মদ, ব্যবসায়ী আক্কাছ আলী, আব্দুর রশীদ, অব. পুলিশ সদস্য আবু সিদ্দিক, আবুল বাশার, ইকবাল হোসেন, জামাল হোসেন, কারাগারে থাকা মিরাজুল ইসলামের মা নুর জাহান বেগম, সুবহান মিয়া, ইসলাম উদ্দিন, আবুল হাশেম, রবিকুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, আব্দু মিয়া, মানিক মিয়া, ইদ্রিস আলী, মোহাম্মদ মোস্তফা, সুমন মিয়া, সুফিয়া খাতুনের মেয়ে জেসমিন আক্তার, আদাং গ্রামের সুলতান ফকির, ডলুরা গ্রামের রমজান আলী প্রমুখ।