কুস্তি-বিজয়ী সাচনা বাজার ইউনিয়ন

স্টাফ রিপোর্টার
৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলার অংশ হিসাবে সুনামগঞ্জে কুস্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় কুস্তি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসময় তিনি বলেন, ‘কুস্তিখেলা গ্রাম বাংলার একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা। এই অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খেলায় আসতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। কুস্তি খেলা আমি কখনো দেখিনি। তাই সুনামগঞ্জে কুস্তি খেলা দেখার লোভ সামলাতে পারিনি। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কুস্তি খেলাকে ধরে রাখার জন্য সুনামগঞ্জবাসীকে ধন্যবাদ। আমি এর সফলতা কামনা করি ।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমদ। তিনি বলেন, ‘আজকের এই কুস্তি খেলা সুনামগঞ্জবাসীকে আনন্দিত করবে। শুধু তাই নয় আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব হলো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য, খেলাধুলা, সংস্কৃতিকে তুলে নিয়ে এসে মূল সংস্কৃতির ধারাকে শক্তিশালী করা। ’
সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মতিউর রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তখনই খেলাধুলার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ক্রীড়াঙ্গনও বাংলাদেশকে সুনাম এনে দিচ্ছে। ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশ এখন একটি শক্ত অবস্থান তৈরী করে নিয়েছে। অন্যান্য খেলায়ও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
দিনব্যাপী কুস্তি প্রতিযোগিতায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়ন এবং জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনাবাজার ইউনিয়নের কুস্তিগীর অংশগ্রহণ করেন। খেলায় গৌরারং ইউনিয়নে কে ৫-৪ পয়েন্টে হারিয়ে বিজয়ী হয় সাচনাবাজার ইউনিয়ন।
খেলা পরিচালনা করেন আমিন আবুল কাশেম ও মতিউর রহমান।
মাঠ ভর্তি ছিল দর্শক। অনেক দর্শক মাঠে জায়গা না পেয়ে মাঠের আশপাশের দালানের ছাদে উঠে খেলা উপভোগ করেন।
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ এর সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. বরকতুল্লাহ খাঁন, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখ্ত, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. নুরুজ্জামান, গৌরারং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফুল মিয়া, সাচনাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শামীম প্রমুখ।