কৃতকার্য ৪৫৩৭৪ জন জিপিএ ৫-১২০৩ টি

স্টাফ রিপোর্টার
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় জেলার ১১ উপজেলার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৫২ হাজার ৭৩ জন। বালক ২৩ হাজার ৬২ জন ও বালিকা ২৯ হাজার ১২ জন। মোট কৃতকার্য হয়েছে ৪৫ হাজার ৩৭৪ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৬৬৯৯ জন।  মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২০৩ জন। বালক জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৬৪ জন ও বালিকা জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৫৯ জন। পাশের হার বালক  ৮৮.১৭ ও বালিকা ৮৯.৪৯ ভাগ।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার মোট পরীক্ষার্থী ৬৬২৬ ছিল, কৃতকার্য হয়েছে ৫৫৪৫ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৮ জন। দোয়ারাবাজারের   মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৫২৮৭ জন, কৃতকার্য হয়েছে ৪৩৬১ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২ জন। বিশ্বম্ভরপুরের মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৪৫৯ জন, কৃতকার্য হয়েছে ২৭২১ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন। ছাতকের মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৮৯৪৬ জন , কৃতকার্য হয়েছে ৭৯৫৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৪ জন। তাহিরপুরের মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৪৩৮৭ জন , কৃতকার্য হয়েছে ৩৭৮০ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১৪ জন। জামালগঞ্জের মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৯৭৯ জন , কৃতকার্য হয়েছে ২৬২৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০৬ জন। ধর্মপাশার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৪৮৩৭ জন, কৃতকার্য হয়েছে ৪৩৩৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২৬ জন। শাল্লার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০৮৭ , কৃতকার্য হয়েছে  ১৮৮১ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫১ জন। দিরাইয়ের মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৪৫৭২, কৃতকার্য হয়েছে ৪১৬৫ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭১ জন। জগন্নাথপুরের মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৪৯৭৩ জন , কৃতকার্য হয়েছে ৪৫৬৪ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৩ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পরীক্ষার্থী ছিল ৩৯২০ , কৃতকার্য হয়েছে ৩৪৩২ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন।