কৃষ্ণনগর-মীরেরচর যাতায়াত সড়কে মানুষের ভোগান্তি

আকরাম উদ্দিন
সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর-মীরেরচর সড়কের বিভিন্ন স্থান পাহাড়ি ঢলে ভেঙে যাওয়ায় যানবাহন ও মানুষ চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
কৃষ্ণনগর-মীরেরচর সড়কের ঢালাগাঁও, কোনাগাঁও ও মীরেরচর গ্রামের ৪টি স্থান পাহাড়ি ঢলে ভেঙে গেছে। এবারের বন্যায় এই সড়ক ভেঙে যাওয়ায় মানুষের ভোগান্তি মারাত্মকভাবে বেড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সফিকুল ইসলাম, সেলিম আহমদ, বিল্লাল মিয়া জানান, এবারের পাহাড়ি ঢলে কৃষ্ণনগর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মীরেরচর পয়েন্ট পর্যন্ত সড়কের কয়েকটি স্থান ভেঙে গেছে। এতে মানুষ ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এই সড়ক দিয়ে হালুয়ারঘাট থেকে বেরীগাঁও, নলুয়া, বাণীপুর, কৃষ্ণনগর, ঢালাগাঁও, মীরেরচর পয়েন্ট হয়ে চৌমুহনী ও ডলুরা যাতায়াত করা যায়। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও শতশত যানবাহন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। এছাড়া কৃষ্ণনগর উচ্চ বিদ্যালয় ও কৃষ্ণনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বেরীগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আসা-যাওয়া করেন এই রাস্তা দিয়ে।
কৃষ্ণনগরের স্কুল শিক্ষার্থী সালমা আক্তার ও আব্দুল ছুবহান বলেন,‘এই সড়কে চলাচল করতে মারাত্মক সমস্যা হয়। সাইকেল চালাতে বা গাড়ি করে আসা-যাওয়া করতে ৩-৪ স্থানে উঠানামা করতে হয়। আমাদের হাইস্কুলের বাউন্ডারী ওয়ালের নিচের মাটিও সরে গেছে। এই সড়কের সংস্কার জরুরি ।’
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক বলেন,‘মঙ্গলকাটা বাজার থেকে মীরেরচর মাদ্রাসা পর্যন্ত সড়ক পাহাড়ি ঢলে ভেঙে যাওয়ায় বেরীগাঁও-কৃষ্ণনগর-মীরেরচর এলাকা দিয়ে বাইপাস সড়ক হিসাবে মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে থাকে। কিন্তু এবার এই সড়কটিও ভেঙে গেছে। এই সড়কের সংস্কার প্রয়োজন।’
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল আউয়াল বলেন,‘মঙ্গলকাটা সড়ক যখন পাহাড়ি ঢলে নষ্ট হয় তখন বেরীগাঁও-কৃষ্ণনগর-মীরেরচর সড়ক বেশি ব্যবহার হয়। এটা শহীদ মিনার যেতে বাইপাস সড়ক। এই সড়কের দ্রুত সংস্কার চাই।’
সদর উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, বেরীগাঁও-কৃষ্ণনগর-মীরেরচর এলাকায় পাহাড়ী ঢলে ভেঙে যাওয়া সড়ক সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।