কেমন নেতৃত্ব চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ?

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগে দেশের সকল উপজেলার সম্মেলন সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে দলটি। এরই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে চলতি মাসের ৩০ তারিখ। উপজেলার এ সম্মেলনকে ঘিরে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা কাজ করছে। কে হচ্ছেন আগামী ৩ বছরের জন্য এ উপজেলার আওয়ামী লীগের কা-ারি তা নিয়ে হচ্ছে চুলচেড়া বিশ্লেষণ। চলছে সভাপতি, সম্পাদকসহ অন্যান্য পদ-পদবিতে আসতে পারা নেতাদের নিয়ে আলোচনা। তৃণমূলের নেতারা চাইছেন যারাই নতুন নেতৃত্বে আসেন না কেনো, তারা যেনো দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ থাকেন। কর্মীবান্ধব, প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিদেরকে যেনো দলের দায়িত্বে আনা হয়। অযোগ্য ব্যক্তিকে দলীয় পদে বসিয়ে উপজেলার রাজনীতিতে এ কমিটিকে নটের পুতুল না বানানোর অনুরোধ করেন নেতাকর্মীরা। এ ক্ষেত্রে দলের সমর্থকরা নতুন নেতৃত্বের প্রতি ভরসা রাখেন বেশি। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের নিজ উপজেলায় একটি ভাল কমিটি নেতৃত্বে আসবেন এমনটাই প্রত্যাশা নেতাদের। অনুপ্রবেশকারীদের বাদ দিয়ে দলের পরীক্ষিত লোক এবং ত্যাগী নেতাদের নিয়েই যেনো কমিটি গঠন করা হয় সেদিকে লক্ষ রাখার অনুরোধ করেন নেতারা। কমিটি গঠনে তরুণ নেতাদের প্রতি দৃষ্টি স্থানীয় আওয়ামী কর্মীদের।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার একাধিক আওয়ামী লীগ নেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়ন করছেন। ভবিষ্যতে এ উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে। এই উন্নয়নকে তরান্বিত করতে প্রশাসনের পাশাপাশি একটি উদ্যামী ও সক্রিয় কমিটির বিশেষ প্রয়োজন। অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনকে পরিচালনা করতে একটি যোগ্যতা সম্পন্ন অভিভাবক কমিটি থাকা আবশ্যক বলে মনে করেন তারা। তাই তারা চান উপজেলার ৮ ইউনিয়ন থেকে যাচাই বাছাই করে যেনো নেতাকর্মী নেওয়া হয়। দলীয় পদে বসে দলকে ব্যবহার করে ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করবে এমন ব্যক্তিকে যেনো দলের কমিটিতে স্থান দেওয়া না হয়।
পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল করিম বলেন, ‘‘আমরা চাই দলে যেনো কর্মীবান্ধব ও তৃণমূল নেতাদের সাথে সম্পর্ক আছে এমন নেতারা সুযোগ পান। কোনোভাবেই ‘হাইব্রিড’ নেতারা যেনো পদবিতে না আসতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের সাথে রাজনীতি করছেন এমন মানুষ চাইবো নেতৃত্বে আসুক। এককভাবে কোনো ইউনিয়নের লোককে কমিটিতে না নিয়ে সকল ইউনিয়নের নেতাদের নিয়ে কমিটি হোক সেটা চাইবো।’’
পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল কাইয়ুম বলেন, ‘আমরা চাই একটি সুন্দর কমিটি আসুক। যে কমিটি উপজেলায় সুন্দর করে নেতৃত্ব দিবে।’