কোন্দলে জর্জরিত উপজেলার দুই গ্রুপেরই কাউন্সিলর থাকবে

বিশেষ প্রতিনিধি
আওয়ামী লীগের জাতীয় (২০ ও ২১ ডিসেম্বর) সম্মেলনে সুনামগঞ্জের দ্বন্দ্ব, কোন্দলে জর্জরিত তিন উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর ভাগ করে দেওয়া হবে বিবদমান দুই গ্রুপকেই। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এই তথ্য জানিয়েছেন।
জেলার ছাতক উপজেলা, ছাতক পৌরসভা আওয়ামী লীগে দীর্ঘদিন ধরেই কোন্দল রয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক একাংশের নেতা। অপরাংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ছাতক পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী ও তাঁর ভাই শামীম আহমদ চৌধুরী। দোয়ারাবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগে বিভক্তি রয়েছে। এই উপজেলায় স্থানীয়ভাবে একাংশের নেতা ইদ্রিছ আলী বীরপ্রতীক আরেকাংশের নেতা ফরিদ আহমদ তারেক।
ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগেও কোন্দল রয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ও সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ বিলকিস একাংশের নেতা, অপরাংশের নেতা রফিকুল ইসলাম চৌধুরী ও আলমগীর কবির।
এই তিন উপজেলায় সংগঠনের জাতীয় সম্মেলনে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট কীভাবে হবে জানতে চাইলে, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান জানালেন, দুই গ্রুপের কাছ থেকেই তালিকা নিয়ে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে। ধর্মপাশা উপজেলার কাউন্সিলর কে হবে সেটি সরাসরি জেলা কমিটি দেখবে।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির বলেন, ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলায় জনসংখ্যা বেশি। এই দুই উপজেলায় কাউন্সিলর ও ডেলিগেট তুলনামূলক ভাবে বেশি হবে।