খানাখন্দে ভরপুর, পায়ে হেঁটে চলাও দায়

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরের প্রধান সড়কের বেহাল অবস্থা। এই সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারে না। পায়ে হেঁটে চলাও দায় হয়ে পড়েছে। অথচ. উপজেলার ৯ ইউনিয়নের ৩ লাখ মানুষকেই উপজেলা সদরে আসলে, এই সড়ক দিয়ে যেতে হয়।
দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরের থানার সামনে থেকে উপজেলা পরিষদ এবং উপজেলা পরিষদ থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। প্রায় এক কিলোমিটার সড়কজুড়েই খানাখন্দ। সড়কটি এমন আকার ধারণ করেছে যে, এখন আর ওই সড়কে রিক্সা চলে না, সিএনজি, অটো রিক্সাও যাতায়াত করে না। অসুস্থ, বয়স্ক কিংবা শিশুদের পায়ে হেঁটে চলাচল করাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরের মাঝেরগাঁও’এর বাসিন্দা নূর উদ্দিন বললেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই সড়ক দিয়ে পায়ে হেঁটে দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে চাই আমরা। উপজেলা সদরের সড়কের এমন দশা মানা যায় না। ১০ বছরের আগে সড়কের কাজ হয়েছিল। এরপর আর কোন কাজ হয় নি। কিছু অংশ নদী ভাঙনে বিলীন হয়েছে। কিছু অংশ খানাখন্দ এমনভাবে হয়েছে, দেখলে এটিকে সড়ক বলা যাবে না।
বাজারের ব্যবসায়ী বিনয় দে বলেন, বার বার বলার পরও সড়ক মেরামত বা নতুন করে করার উদ্যোগ নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।
দোয়ারাবাজার এলজিইডির প্রকৌশলী হরজিৎ সরকার বললেন, সড়কটি এখন আর চলাচলের উপযোগী নয়। হাসপাতালে রোগী নিয়ে কেউ আসলে অসম্ভব দুর্ভোগে পড়েন। কিন্তু এই সড়কটি এলজিইিডি’র নয়, সড়ক ও জনপথের। একারণে আমরা কিছুই করতে পারছি না।
সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন, দুয়েক দিনের মধ্যেই দোয়ারাবাজারে গিয়ে সড়কটি আপাতত মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করে দেব। না হয় প্রাক্কলন তৈরি করে দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধমে কাজ করাবো।