গরমে আশ্রয় বৃক্ষ ছায়ায়

আকরাম উদ্দিন
সপ্তাহব্যাপী অসহনীয় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে একটু ঠান্ডা শীতল বাতাসের আশায় মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে বৃক্ষের নীচে। শনিবার শহর ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা যায়। দুপুর ১২টা থেকে গরমের উত্তাপ বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে সড়কে মানুষের চলাফেরাও কমে যায়। মানুষও তাদের শান্তির নীড় খুঁজতে থাকেন। সাধারণ মানুষের বেশিরভাগেই বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষের নীচে অবস্থান নেন।
শনিবার শহরের হাসননগরে কলেজের দক্ষিণ পার্শ্বের গাছতলা, ষোলঘর এলাকায় নদীরপাড়, কাজির পয়েন্টের নদীরপাড়, উকিলপাড়া নদীরপাড়, কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের পুকুরপাড়, জেইল রোডের গাছতলা, পুলিশ ফাঁড়ি এলাকা নদীরপাড়ের গাছতলা, জেলা পরিষদের গাছতলা, ওয়েজখালি পয়েন্টের গাছতলা, সাহেববাড়ি এলাকায় নদীরপাড়ের গাছতলাসহ শহরের বিভিন্ন পয়েন্টের গাছতলায় একটু প্রশান্তির জন্য আশ্রয় নিতে দেখা গেছে গরমে ক্লান্ত বহু মানুষকে।
আরপিননগর এলাকার বাসিন্দা মো. শাহীন আলম বলেন, ‘কতদিন ধরে গরম। রোজার মাস চলছে, এই গরম সহ্য করা খুবই কষ্ট। আসমানে সাজ করে, উড়াইয়া নেয়। কিন্তু মেঘ হয় না। মেঘ হইলে শান্তি পাওয়া যেতো।’
কাজীর পয়েন্টের ব্যবসায়ী বেনু বিশ্বাস বলেন, ‘গায়ে কাপড় রাখা যায় না।’
ষোলঘরের রিক্সাচালক আমির হোসেন বলেন, ‘ঈদের বাজার না অইলে রিক্সা বাইর খরতাম না ঘরতনি।’
হাছননগরের অটোচালক রহিম উদ্দিন বলেন, ‘দুপুরে যাত্রী কমে যায়। তবুও চালাই। গাড়ি থামাইলে গরম লাগে। বড় গাছের নীচে গেলে গাড়ি থামিয়ে একটু শান্তি খুঁজি।’
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মলয় চক্রবর্তী রাজু বলেন,‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেও তাপদাহ বাড়ছে। পরিবেশ রক্ষায় সকলকেই সচেতন থাকতে গাছ-গাছালি, বন-বাদালি রক্ষা করতে হবে, একটি গাছ কর্তনের আগে কমপক্ষে তিনটি গাছের চারা রোপণ করতে হবে।’