গরম থেকে বাঁচতে নদীতে ঝাঁপ

আকরাম উদ্দিন
জেলাজুড়ে প্রচন্ড দাবদাহ চলছে । ৫ দিন ধরেই এই অবস্থা। এই গরমে সকল শ্রেণি পেশার মানুষের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বেলা ১১ টার পর রাস্তায় বের হতে ভয় পাচ্ছেন মানুষ। জরুরি কাজ ছাড়া রাস্তায় বের হচ্ছেন না কেউ। ঈদের কেনা কাটাও দিনের চেয়ে রাতে বেশি হচ্ছে।
রোদের প্রখরতায় প্রশান্তি খুঁজছেন মানুষ। অনেক রোজাদারগণ আশ্রয় নিচ্ছেন ঠান্ডা পরিবেশের মসজিদে। বড় বড় গাছের নিচে বৃহস্পতিবার মানুষের ভিড় দেখা গেছে। কিশোররা আশ্রয় নিচ্ছে হাওর, ডোবায়, পুকুর বা নদীর ঠান্ডা পানিতে। তবুও যেন গরম কমছে না।
এই গরমে অফিস-আদালতের কার্যক্রমে বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে। দিনমজুরগণ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। বেশি রোজগারের আশায় সামান্য পরিমাণে রিক্সা, অটোরিক্সা শহরে চলাচল করছে।
রিক্সাচালক সুমন মিয়া বলেন, ‘গরমে মাথা ঘুরা শুরু হয়। এক ট্রিপ দিয়েই গাছের নীচে বিশ্রাম নিচ্ছি, ঈদের বাজারে রোজগার বেশি হয়, এই আশায় বের হয়েছি’।
ইব্রাহিমপুরের স্কুল পড়–য়া শিশু ইদ্রিছ মিয়া বললো,‘গাছের নীচের নদীর পানিতে সকাল ১১ টা থেকে দেড় টা পর্যন্ত থেকেছি। আমার সঙ্গে আরও ৮-১০ জন ছিল, গত ৪-৫ দিন ধরে গরমের জন্য বেশি সময় পানিতে কাটাচ্ছি।’
সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ আবু সাঈদ চৌধুরী বলেন,‘বৃহস্পতিবার সকালে সুনামগঞ্জে ২৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল, দুপুরে হয়েছে ৩০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুপুরের পর থেকে আরও বাড়তে থাকে। শুক্রবার রাতে বৃষ্টি হবে। শনিবার তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। রোববার আবার তাপমাত্রা বাড়বে।’