গানে গানে রাধারমণ দত্তকে স্মরণ করলো শিশুরা

স্টাফ রিপোর্টার
গানে গানে ধামাইল সংগীতের প্রবর্তক ও বৈষ্ণব কবি রাধারমণ দত্তকে স্মরণ করলো শিশুরা। কবির ১০৭ তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা শিল্পকলা একাডেমি।
বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাছনরাজা মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষণরত ক্ষুদে ক্ষুদে শিল্পীরা রাধারমণ দত্তের গান পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানে ‘ভ্রমণ কইও গিয়া, কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো, আমার গলার হার খুলে নে, জলে গিয়েছিলাম সই, আমি রবনা রবনা গৃহে, জলের ঘাটে দেইখা আসলাম’ সহ রাধারমণের রচিত বিভিন্ন জনপ্রিয় গান পরিবেশন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাভেল, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহ সভাপতি রঞ্জন চৌধুরী, সদর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার চৌধুরী মন্তোষ, সংগীত শিল্পী সোমা সাহা সহ অন্যান্যরা।
জেলা কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাভেল বলেন, রাধারমণ দত্তের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জেলা শিল্পকলা একাডেমি। শিশুদের মধ্যে রাধারমণ দত্তকে ছড়িয়ে দিতে এই অনুষ্ঠান। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ শিল্পী বের হবে এবং শিশুরা মঞ্চের সাথেও পরিচিতি হবে। ইতিমধ্যে রাধারমণ দত্তের গান শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় পাঠ্যপুস্তক সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রাধারমণের গান সারা দেশে চর্চা করা হচ্ছে। এই গানের সাথে সাথে নৃত্যকে জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগও নেয়া হয়েছে।
বাংলা সাহিত্যিক, সাধক কবি, বৈঞ্চব বাউল রাধারমণ দত্ত সংগীতানুরাগীদের কাছে রাধারমণ বলেই সমাধিক পরিচিত। বাংলা লোকসংগীতের পুরোধা লোককবি রাধারমণ দত্ত। তার রচিত ধামাইল গান সিলেট ও ভারতের বাঙ্গালীদের কাছে পরম আদরের ধন। রাধারমণ ১৮৩৪ সালের ২৪ মে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলায় জন্মগ্রহণ ও ১৯১৫ সালের ১০ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।