গান-কবিতায় কবিগুরুকে স্মরণ

স্টাফ রিপোর্টার
রবীন্দ্রনাথের কারণেই বিশ্বের মানচিত্রে বাঙালি জাতির পরিচিতির বিস্তৃতি ঘটেছে। তিনিই বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছেন। সাহিত্য ও সংস্কৃতির ভুবনে কালজয়ী চিহ্ন রেখে গেছেন বলে তার সৃষ্টিকর্ম বারবার বাঙালি জাতির মানসপটে নিয়ে আসে তাকে। গল্পে, উপন্যাসে, কবিতায়, প্রবন্ধে, নতুন সুরে ও বিচিত্র গানে, প্রবন্ধে, এমনকি চিত্রকলায়ও রবীন্দ্রনাথ চিরনবীন। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, নাট্যকার, কথাশিল্পী, চিত্রশিল্পী, গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক, ছোটগল্পকার ও ভাষাবিদ। জীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি চিত্রকর হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেন।
মঙ্গলবার জেলা উদীচীর কার্যালয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে জেলা উদীচী আয়োজিত স্মরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা।
বিকাল ৫টায় এ উপলক্ষে শহরের পৌর মিনি মার্কেটে জেলা উদীচীর কার্যালয়ে গান, আবৃত্তি মাধ্যমে কবিগুরুতে স্মরণ করা হয়।
সংগঠনের শিল্পীরা ‘গ্রামছাড়া ঐ রাঙ্গামাটির পথ’, ‘মনো মোর মেঘের সঙ্গী’, ‘এখন পরবেনা মোর পায়ের চিহ্ন’,‘ আমারো পরানে যাহা চায়’ সহ বেশ কিছু মনোমুগ্ধকর রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানের আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে চলে কবিতা আবৃত্তি।
জেলা উদীচী সভাপতি শীলা রায়’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, জেলা উদীচী’র সহসভাপতি সঞ্চিতা চৌধুরী, অঞ্জন চৌধুরী, সহ সাধারণ সম্পাদক প্রসেনজিৎ দে, মো. মাইনুদ্দীন, আবৃত্তি সম্পাদক সুমনা তালুকদার রিম্পি, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম মাহবুব, নাট্য সম্পাদক পুলক রাজ, কোষাধ্যক্ষ জহির আহমেদ।