গ্রামবাসী সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, এই সংবাদ সত্য নয়

স্টাফ রিপোর্টার
জেলার জগন্নাথপুরের জয়দা গ্রামের সালমান মিয়া নামের এক ১৪ বছরের কিশোরকে ছাগল চুরি’র ঘটনায় আটক করে চুল কর্ত্তন করা হয়েছে বলে কিছু অনলাইন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এই সংবাদটি আদৌ সত্য নয় দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সালমানের আত্মীয়-স্বজন সহ গ্রামবাসী। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, সালিশের এমন বিচার করার এখতিয়ার নেই। ছাগল চুরি’র কোন ঘটনাও ঘটে নি।
সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জের পুরাতন শিল্পকলা মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ২০ আগস্ট এই ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে। সংবাদে যাকে অপরাধী উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রামের সেই টুনু মিয়ার ছেলে সালমান ওই দিন এলাকায় ছিল না। সে অন্যত্র ছিল।
বৈঠকে গ্রামের কবির মিয়া, ফয়সল মিয়া, সবলু মিয়া, আব্দুল আহাদ, আব্দুর রব, ফুল মিয়া, হাছন আলীসহ ২০-২৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। তারা কেউই সালিশ বৈঠকে ছিলেন না। আদৌ কোন সালিশ বৈঠক
হয় নি। সংবাদে কবির মিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। কবির মিয়া সালমানের চাচা। চাচা হয়ে ভাতিজার বিরুদ্ধে চুল কাটার নির্দেশ দেবার বিষয়টি অবাস্তব এবং মিথ্যা এবং সংবাদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
সালমান মিয়ার বাবা টুনু মিয়া সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই সংবাদ দেখে তার ছেলে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল। এরপর থেকে তাকে চোখে চোখে রাখছেন তারা। গ্রামবাসী আমার ছেলেকে বলেছেন, আমরা সংবাদ সম্মেলন করে এর প্রতিবাদ জানাবো। প্রয়োজনে মামলা করবো।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত গ্রামবাসী জানান, এই অপপ্রচার দেবার পেছনে গ্রামের আব্দুল মোতাল্লিব ভূমিকা রেখেছেন বলে জেনেছেন তারা।
আব্দুল মোতাল্লিবের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গ্রামের মাঝের গোষ্ঠীর লোকজন নিজেরা নিজেরাই এই সালিশ করেছেন বলে আমি শুনেছি। আমি এই বিষয়ে কোন প্রচারণা দিচ্ছি না বা সালিশ বৈঠকেও ছিলাম না।
সংবাদ সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- মো. ছালিক মিয়া, জিলু মিয়া, আব্দুল হক, ছমির মিয়া, আকলু মিয়া, ফুল মিয়া, টিটু মিয়া প্রমুখ।