গ্রাম আদালতকে সক্রিয় করতে হবে -জেলা প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার
জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘১৯৭৬ সালে গ্রাম আদালতের যাত্রা শুরু হয়। সে সময় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সক্রিয় ছিল। গ্রাম আদালত যেসব বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে না, তখন সেগুলো আদালতে পাঠিয়ে দেয়া হতো। এভাবে কয়েক বছর চলার পর কোনো কোনো জায়গায় তখন এ গ্রাম আদালতের কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। আবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সক্রিয় করে তোলা হয়। জনগণের হয়রানি কমিয়ে আনতে গ্রাম আদালতকে সক্রিয় করে তোলতে হবে সকলে।’
মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় শহরের সার্কিট হাউস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেন্ডার ও গ্রাম আদালত বিষয়ক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সচেতনতামূলক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘জনগণ জনপ্রতিনিধিদের বিশ্বাস করে ভোট
দিয়েছে। জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি চেয়ারম্যান-মেম্বারগণ শপথ গ্রহণ করে দায়িত্ব নিয়েছেন। এরপর যদি কার্যক্রমে শপথের বিপরীত ঘটে তাহলে শপথ ভঙ্গ হল এবং বিশ্বাসও হারিয়ে যায়। তাই জনগনের কল্যাণে গ্রাম আদালতে আসতে জনগণের আগ্রহ বাড়াতে হবে এবং আস্থার জায়গাটা আরও জোরদার করতে হবে। এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যে, জনগণ গ্রাম আদালতে আসতে আগ্রহী হয়ে উঠে। জনগণের কল্যাণের কথা চিন্তা করে গ্রাম-আদালতকে সক্রিয় করতে হবে।’
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. এমরান হোসেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের ডিস্ট্রিক ফ্যাসিলিটেটর সৈয়দ নজরুল ইসলামের পরিচালনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ সফিউল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি) মোহাম্মদ নূরুজ্জামান, সহকারি পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র সহকারি জজ হাবিবুল্লাহ মাহমুদ, সহকারি জজ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, সহকারি জজ ইসরাত জাহান, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সমীর কুমার বিশ্বাস, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্ণেন্দু দেব, নারী নেত্রী শীলা রায়, ঢাকা অফিসের জেন্ডার স্পেশালিষ্ট কামরুন নেসা নাজলি।
কর্মশালায় ২য় পর্ব উপস্থাপনা করেন প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা রীতা দাস।
মুুক্ত আলোচনা বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ সদস্য ও জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ফৌজি আরা শাম্মী, ধনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম, পলাশ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম, পাইলগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান মখলুছ মিয়া, আশারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আবু ঈমানী, সাংবাদিক আকরাম উদ্দিন, বড়দল ইউপি সদস্য মিলন মিয়া।