চলতি নদীতে চাঁদা তুলে কারা?

স্টাফ রিপোর্টার
ডলুরার পাশে পাহাড়ী নদী চলতিতে বালু-পাথর শ্রমিক ও বোমা মেশিন থেকে টাকা তুলে কারা? প্রতি বারকীকে একবার বালু- পাথর আনার জন্য ১০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং দিনে প্রতি বোমা মেশিনকে ২০০০ টাকা দিতে হয়। চাঁদা তোলার এই ঘটনা নিয়মিত। মঙ্গলবার চলতি নদীতে দুই নারী শ্রমিক বালু চাপায় নিহত হবার ঘটনার সংবাদ কাভার করতে গেলে একাধিক বারকী শ্রমিক এ প্রতিবেদককে এই তথ্য জানিয়ে বলেন,‘আমাদের নাম লিখলে আর নদীতে নামতে দেবে না।’
স্থানীয় এক তরুণ বললেন,‘ফারুক মিয়া, জাকারিয়া, ফুল মিয়া, মিজান, তৈয়বুর ও আব্দুন নুর নামের কয়েকজন এখানে চাঁদা তুলে।’ এই তরুণ জানায়, বড় বাল্কহেড বা ট্রলার চলতি নদীর কুচগাঁও থেকে ডলুরা পর্যন্ত না ওঠায় এই অংশ থেকে বারকী নৌকা দিয়েই বালু পাথর নিতে হয়। বালু-পাথর নেবার সময় প্রতিবারই চাঁদা গুণতে হয়। এটি এখানে অলিখিত নিয়ম।
ডলুরার বাসিন্দা জাহাঙ্গীরনগর ইউপি সদস্য আক্তার মিয়া বলেন,‘আমার জানা মতে রয়েলিটি ছাড়া অন্য কোন চাঁদা চলতি নদীতে কোন বারকী শ্রমিককে দিতে হয় না।’
সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. শহীদুল্লাহ্ বলেন,‘চলতী নদীর ডলুরা অংশে পানি একেবারে কম, ট্রলারই ওঠে না। ডলুরার আশ পাশে কোন বোমা মেশিনও নেই। তবুও কথা যেহেতু এসেছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গেই দেখবো আমরা।’