চলতি নদীতে বালু চাপায় দুই নারী শ্রমিক নিহত

স্টাফ রিপোর্টার
পাহাড়ী নদী চলতির চর কেটে বালু-পাথর উত্তোলনের সময় চাপা পড়ে ২ নারী শ্রমিক নিহত হয়েছে। নিহত দুই শ্রমিকের নাম রাহিমা বেগম (২৫), সে নারায়ণতলা গুচ্ছ গ্রামের সাঈদ মিয়ার স্ত্রী। নিহত অপর শ্রমিকের নাম আলেহা খাতুন (৩০), স্বামী পরিত্যক্তা এই নারী শ্রমিক নারায়ণতলা গুচ্ছ গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা খুর্শেদ মিয়ার মেয়ে। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় চলতি নদীর চর ধসে এই দুইজনের মৃত্যু ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর সীমান্তের ডলুরা পার্শ্ববর্তী চলতি নদী মিশেছে ভারতের লালপানি-কাপইগড়াতে। এই সীমান্তের জিরো পয়েন্টের একটু দূর থেকে প্রতিদিন হাজারো শ্রমিক বালু-পাথর উত্তোলন করেন। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় চর কেটে নীচ থেকে বালু-পাথর উত্তোলনের সময় চর ধসে চাপা পড়েন শ্রমিক রাহিমা বেগম ও আলেহা খাতুন। পরে বালু কেটে এই দুই শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার করেন অন্য শ্রমিকরা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্তার মিয়া বলেন, ‘ডলুরা শহীদ মিনার ও বিজিবি ক্যাম্পের মাঝখানে ডলুরা শহীদ মিনার থেকে আধা কিলোমিটার দূরে চলতি নদীর মাঝখানের চর ধসে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। যেখানে চর ধসে পড়েছে এই অংশটি জিরো পয়েন্টের মেইন পিলারের ৪ থেকে ৫’শ গজের মধ্যে।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যেখানে চর ধসেছে এই অংশটি সীমান্ত পিলার থেকে ২-৩’শ গজ ভেতরে অনেক উঁচু স্থান। এটি নদীর পাড়ের মতোই আছে। এই অংশ কেটে বালু-পাথর উত্তোলন করায় নদীর পাড় হুমকিতে পড়ছে।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. শহীদুল্লাহ্ জানান, দুই শ্রমিক মাটি চাপায় নিহতের ঘটনায় আপাতত ইউডি মামলা হবে।