চাল না পেয়ে শূন্য হাতে বাড়ি ফিরেছেন অনেকে

স্টাফ রিপোর্টার,তাহিরপুর
তাহিরপুরে ওএমএস (খোলা বাজারে চাল বিক্রি) চাল ৫ কেজি নিতে ভোর থেকেই লাইনে ভীড় জমেছে ক্রেতাদের। তাহিরপুর উপজেলা খাদ্য গোদাম সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ সেপ্টেম্বর/২০২২ইং থেকে তাহিরপুর উপজেলা সদরে দুইজন ডিলার দ্বারা প্রতি ডিলারে ২ মেট্রিক টন করে দৈনিক চার মেট্রিক টন চাল নি¤œ আয়ের লোকজনের মধ্যে মাথাপিছু ৫ কেজি করে প্রতি কেজি ৩০ টাকা দরে চাল বিক্রি করে আসছে। কিন্তু গত ১৭ অক্টোবর/২০২২ইং থেকে প্রতি ডিলারকে ১ মেট্রিক টন করে চাল দিয়ে আসছে উপজেলা খাদ্য গোদাম কর্তৃপক্ষ। তাহিরপুর বাজারের ওএমএস ডিলার মইনুল হক বলেন,শুরু থেকে প্রতি ডিলারদের ২ মেট্রিকটন করে চাল দেয়া হতো তখন লাইনে একটু কম ভীড় ছিল। ১৭ অক্টোবর থেকে উপজেলা খাদ্য গোদাম যখন ১ মেট্রিকটন করে প্রতি ডিলারকে চাল দেয়া শুরু করেছে তখন থেকেই লাইনে প্রচন্ড ভীড় করছে ক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার তাহিরপুর বাজারে চাল নিতে আসা তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের ভাটি জামালগড় গ্রামের অবয়চরনের স্ত্রী শান্তিবালা বর্মণ বলেন,৫ কেজি চালের জন্য সকালে না খেয়ে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি বেলা ১০ টা বাজে এখেনো চাল নিতে পারিনি। তিনি আরো বলেন,এ চাল নিয়ে পরিবারের সদস্যদের তিনি রান্না করে খাবেন।
চিকসা গ্রামের হজরত আলীর মেয়ে জাসমিনা বেগম বলেন,ডিলারগণ যখন ২ মেট্রিকটন করে চাল পেতো তখন আমাদের চাল পেতে তেমন কষ্ট হতো না।
চাল নিতে আসা বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের বড়দল নতুন হাটি গ্রামের মহিম উদ্দিন বললেন,তাহিরপুর বাজারে ওএসএস এর চাল নিতে এসে ২ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাল না পেয়ে শূণ্য হাতে বাড়ি ফিরেছেন। একই কথা জানিয়েছেন তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের মধ্য তাহিরপুর গ্রামের কালাম মিয়া।
তাহিরপুর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা বিএম মুশফিকুর রহমান বলেন, স্বল্প আয়ের লোকজনের ওএমএস চাল কেনার চাহিদা খুব বেশী। বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রায়হান কবির বলেন,ডিলারদের দোকানে ক্রেতাদের প্রচন্ড ভীড় থাকায় বুঝা যাচ্ছে ওএমএসের চাহিদা খুব বেশী। চাহিদার বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো।