ছাতকে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতকের ঠিকানা সিলেট উপ তত্ত্বাবধায়ক নিবাস

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতকের দায়িত্ব নিয়েছে সিলেটের বাগবাড়িস্থ উপ তত্ত্বাবধায়ক নিবাস। সোমবার সুনামগঞ্জের প্রবেশন কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ শফিউর রহমানের মাধ্যমে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতককে নতুন ঠিকানায় প্রেরণ করা হয়।
গত ২৩ জানুয়ারী ভোরে উপজেলার জাউয়া ইউনিয়নের পাইগাঁও এলাকায় বোকা নদীতে বড়শী দিয়ে মাছ শিকার করতে গিয়ে নদীর তীরে কাপড়ে মোড়ানো এক কন্যা নবজাতককে কুড়িয়ে পায় কৈতক গ্রামের চান্দালী মিয়া। নিজের কোন সন্তানাদি না থাকায় কুড়িয়ে পাওয়া এ নবজাতককে বাড়িতে নিয়ে এসে স্ত্রী সুবেতারা বেগমের কুলে তুলে দেয়। সন্তান পেয়ে স্বামী-স্ত্রী উভয়ই খুশি হয়ে প্রায় গোপনে নবজাতকের লালন-পালন করতে শুরু করে। কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতকের বৈধতা পেতে জাউয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে গিয়ে ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক নির্মল চন্দ্র দেবের কাছে ঘটনাটি বর্ণনা করে চান্দালী মিয়া। সন্তানের আইনী বৈধতা নিতে পুলিশ পরিদর্শক নির্মল চন্দ্র দেব উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন। পরে এ পুলিশ কর্মকর্তা উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের ইউনূছ মিয়াকে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতকের বৈধ ব্যবস্থা নিতে বলেন। সোমবার সুনামগঞ্জের সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ শফিউর রহমান নবজাতকসহ চান্দালী মিয়া ও তার স্ত্রী সুবেতেরাকে নিয়ে সিলেটের বাগবাড়ীস্থ উপ তত্ত্বাবধায়ক নিবাসের দায়িত্বশীলদের তত্ত্বাবধানে রেখে আসেন।
সুনামগঞ্জের সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ শফিউর রহমান জানান, এ নবজাতককে চান্দালী মিয়া ও তার স্ত্রী সুবেতেরা বেগম লালন-পালনের জন্য আনতে চাইলে আদালতের মাধ্যমে আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আনতে হবে।