ছাতকে পাথর ব্যবসায়ীদের মধ্যে উত্তেজনা, প্রতিবাদ সভা

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে নৌ-পথে বালু-পাথর পরিবহনে বাধা এবং পাথরবাহী নৌকা আটক ও শ্রমিক নির্যাতনের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে ছাতকের শ্রমিক ও ব্যবসায়ী মহল। কোম্পানীগঞ্জের কতিপয় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার রাতে শহরের পুরাতন কাষ্টমরোডে প্রতিবাদ সভা করেছেন ব্যবসায়ী মহল ও পাথর শ্রমিকবৃন্দ।
ছাতক পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. জয়নাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও লাল পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান জুয়েলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান লায়েক মিয়া, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আওয়ামীলীগ নেতা সৈয়দ আহমদ, পাথর ব্যবসায়ী আশিদ আলী, পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি সামছুল ইসলাম, ছাতক লাইম স্টোন ইম্পোটার্স এন্ড সাপ্লায়ার্স গ্রুপের সেক্রেটারী সৈয়দ তওফিক আহমদ ইকবাল, পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হাসান, ছাতক পাথর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সহ-সভাপতি, অদুদ আলম চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদক সামছু মিয়া, কোষাধ্যক্ষ আমির আলী, ব্যবসায়ী সৈয়দ হারুন অর রশীদ, ফজলু মিয়া চৌধুরী, বিলাল মিয়া, বাদশা মিয়া, আরিছ আলী, সুজন মিয়া, আব্দুল মজিদ, ফরিছ মিয়া মেম্বার, ওসমান আলী, নুর মিয়া, ইছাকলস ইউপি চেয়ারম্যান কুটি মিয়া, ছাতক লেবার সর্দার সমিতির সভাপতি তজম্মুল আলী প্রমুখ।
সভায় বক্তরা বলেন, কোম্পানীগঞ্জের কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী ২০১০ইং সালের চুক্তি ভঙ্গ করে নৌ-পথে পাথর-বালু লোডিং করে ব্যবসায় বিশৃংখলা সৃষ্টি করে যাচ্ছেন। এতে দু’চারজন ব্যবসায়ী লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সিংহভাগ বালু-পাথর ব্যবসায়ী।
এছাড়াও নৌ-পথে বালু-পাথর পরিবহনকারী নৌকা আটক করে এসব অসাধু ব্যবসায়ীরা ব্যবসা ক্ষেত্রে বিশৃংখলা সৃষ্টিসহ পরিস্থিত উত্তপ্ত করে তুলছেন। ইতিমধ্যেই ছাতকের ৪৯টি পাথরবাহী নৌকা আটক করে রেখেছেন তারা। এতে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে আটককৃত এসব নৌকা ছেড়ে দিয়ে ও ছাতকের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে দায়েরী মিথ্যা অভিযোগ নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করে ব্যবসার স্বাভাবিক পরিবেশ স্থিতিশীল রাখার দাবি জানান বক্তারা। অন্যথায় ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জের প্রকৃত পাথর ব্যবসায়ীরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশংকা রয়েছে বলে বক্তারা মনে করেন।