ছাতকে প্রতিপক্ষের হামলায় প্রতিবন্ধী যুবতী সহ ৫ ব্যক্তি আহত

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে প্রতিপক্ষের হামলায় প্রতিবন্ধী যুবতী সহ একই পরিবারের ৫ ব্যক্তি আহত হওয়ার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে ছাতক থানায় এ মামলা দায়ের করেন উপজেলার সিংচাপইড় ইউনিয়নের ছত্রিশ কালিপুর গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের পুত্র আব্দুল আওয়াল।
জানা যায়, কালিপুর গ্রামের দেবত্ব সম্পত্তি নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের দু’ পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এক পক্ষকে সরাসরি সহযোগিতা করছিল একই গ্রামের কাচা মিয়ার পুত্র তারিফ। তরিফ সম্পর্কে আব্দুল আওয়ালের ভাতিজা। দেবত্ব সম্পত্তি নিয়ে হিন্দুদের বিরোধের বিষয়ে না জড়ানোর জন্য ভাতিজা তারিফকে বারন করেন আব্দুল আওয়াল। নিষেধ করা নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে তারিফ ও তার পরিবার। ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যো-রাতে নিজ বাড়ির উঠানে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে তারিফ ও তার বড় ভাই রোপন মিয়ার মধ্যে মারামারি চলছিল। খবর পেয়ে আব্দুল আওয়াল ঘটনাস্থলে গিয়ে তারিফকে বাধা-নিষেধ ও গালাগাল করে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে চেয়ার চেষ্টা করেন। এতে উত্তেজিত হয়ে নিজেদের বিভেদ ভুলে তারিফ ও রোপন মিয়া চড়াও হয় আব্দুল আওয়ালের উপর। এক পর্যায়ে নিজেকে রক্ষা করতে দৌঁড়ে নিজ ঘরে আশ্রয় নেয় সে। এসময় ইউপি সদস্য আজিজুর রহমান শান্তর নির্দেশে তারিফ ও তার সহযোগিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বসতঘরে হামলা ও ভাচুর চালায়। হামলায় বসত ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর ও প্রতিবন্ধী যুবতী সহ ৫ ব্যক্তি আহত হয়। গুরুতর আহত রুশনা বেগম (৫০), প্রতিবন্ধী জেসমিন (১৭), রোকশানা (৩৫) কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আব্দুল আওয়া ও স্বপন মিয়াকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ঘটনায় আব্দুল আওয়াল বাদী হয়ে আজিজুর রহমান শান্ত, ফরহাদ আহমদ মিল্টন, তারিফ, রোকন, রোপন, বিকাশ নাথ, প্রকাশ নাথ, দিপক নাথের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় একটি মামলা (নং-২৯) দায়ের করেন। ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।