ছাতকে প্রবাসী আব্দুল হামিদ হত্যাকান্ডে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে প্রবাসী আব্দুল হামিদ হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়ছে। উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নিজগাঁও গ্রামের তমজিত আলীর পুত্র, নিহত আব্দুল হামিদের ভাই আব্দুল হক বাদী হয়ে ৯ এপ্রিল ছাতক থানায় এ মামলা(নং-১০) দায়ের করেন।
জানা যায়, প্রায় তিনমাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসেন আব্দুল হামিদ। একই বাড়ির বাসিন্দা ও সম্পর্কে চাচাতো ভাই মৃত মন্তাজ আলীর পুত্র আনোয়ার হোসেন, মুক্তার
হোসেন গংদের সাথে আব্দুল হামিদ পক্ষের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত ৬ এপ্রিল আব্দুল হামিদের ভাই আব্দুল আহাদকে লক্ষ করে উস্কানীমূলক কথাবার্তা ও গালাগালি করতে থাকে প্রতিপক্ষর লোকজন। বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন সশস্ত্র হামলা চালায় প্রবাসী আব্দুল হামিদ ও তার ভাই আব্দুল আহাদের উপর। দু’ভাইকে বেধরক মারপিট করে গুরুতর আহত করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এক পর্যায়ে মৃত ভেবে তাদের রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় প্রতিপক্ষরা।
স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত আব্দুল হামিদ ও আব্দুল আহাদকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার আব্দুল হামিদকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত আব্দুল আহাদকে আশংকাজনকভাবে ভর্তি করা হয়।
প্রবাসী আব্দুল হামিদ হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুল হক বাদী হয়ে একই গ্রামের মৃত মন্তাজ আলীর পুত্র আনোয়ার হোসেন, মুক্তার হোসেন, সারোয়ার হোসেন, সানোয়ার হোসেন, স্ত্রী রাবেয়া বেগম খুশিরুন ও আব্দুস ছোবহানের স্ত্রী পরতিঙ্গা বেগমকে আসামী করে ছাতক থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করনে।
মামলার বাদী জানান, আব্দুল আহাদ বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। ইতিমধ্যে আব্দুল আহাদের শরীরে দু’বার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি ডাক্তার রাশেদুন্নবীর তত্ত্ববধানে রয়েছেন। এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন আসামীকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
ছাতক থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, আসামী গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।