ছয় সেতু নির্মাণের সমীক্ষা প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে

আকরাম উদ্দিন
সুরমা নদীর উপর হালুয়ারঘাট-ধারারগাঁও সেতু এবং চলতি নদীর উপর বালাকান্দা বাজার-রামপুর সড়কের চালবন্দ এলাকায় সেতু নির্মাণের জন্য সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে গতকাল সোমবার দুই সেতু এলাকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সমীক্ষা প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু প্রকল্পের আওতায় এলজিইডি সিলেট বিভাগে ৯টি সেতু নির্মাণের প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে রয়েছে ৬টি।
সেতুগুলো হলো- সদর উপজেলাধীন হালুয়ারঘাট-ধারাগাঁও সেতু, বালাকান্দা-রামপুর সড়কের চালবন্দ এলাকায় সেতু, ধর্মপাশার বরুয়া নসদীর উপর ২৫০০ মি: চেইনেজে ৩১৫ মিটার দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট ১টি, তাহিরপুরের পাইলাই নদীর উপর ২৯০০ মি: চেইনেজে ৪৫০ মিটার দৈর্ঘ্যরে ১টি, ছাতকের পিয়াইন নদীর উপর ২৯০০ মি: চেইনেজে ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যরে ১টি, দিরাইয়ে কামারখালী নদীর উপর ১টি, সিলেটের গোয়াইনঘাটে ১টি, কানাইঘাটে ১টি ও মৌলভীবাজার রাজনগরে ১টি সেতু ।
প্রস্তাবিত সেতুর মধ্যে সুরমা নদীর উপর হালুয়ারঘাট-ধারারগাঁও সেতু ২০০০ চেইনেজে দৈর্ঘ্য ৪১৫ মিটার এবং চলতি নদীর উপর বালাকান্দা বাজার-রামপুর সড়কের চালবন্দ এলাকায় ১০০ মিটার চেইনেজে ২৮০ মিটার দৈর্ঘ্যরে সেতু নির্মাণের সমীক্ষা প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
সদর উপজেলা প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘সেতু নির্মাণের সমীক্ষা প্রতিবেদনের চিঠি পাওয়ার সাথে সাথে সমীক্ষার বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করে গত সোমবার সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।’
উত্তর সুরমা উন্নয়ন পরিষদের আহ্বায়ক ও মঙ্গলকাটা বাজার কমিটির সভাপতি মো. আব্দুর রউফ বলেন, ‘সুরমা নদীর উপর শহরতলীর হালুয়ারঘাট-ধারারগাঁও সেতু এবং চলতি নদীর উপর বালাকান্দা বাজার-রামপুর সড়কের চালবন্দ এলাকায় সেতু নির্মাণ হলে সদর উপজেলা, ছাতক, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর ও তাহিরপুর উপজেলার সড়ক যোগাযোগ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। এতে এলাকার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং জেলার বাইরে পণ্য সামগ্রী পরিবহন করা সহজ হবে। এলাকার রাস্তা-ঘাটের আরও উন্নয়ন হবে। হাট-বাজারও জমে উঠবে। সর্বোপরি এলাকার অবহেলিত জনপদে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তাদের জীবন-জীবীকার উন্নয়ন হবে।’