জগন্নাথপুরে আনন্দ

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুর ডিগ্রি কলেজ সরকারীকরণ হওয়ার সংবাদে জগন্নাথপুরবাসী আনন্দিত। রবিবার সারা দেশের ২৭১টি কলেজ সরকারীকরণের তালিকায় জগন্নাথপুর ডিগ্রী কলেজ এর নাম থাকার সংবাদ প্রচারিত হলে উপজেলা জুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আনন্দ উচ্ছাস প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তারা। জগন্নাথপুর ডিগ্রী কলেজের ছাত্রনেতা তাহা আহমদ উচ্ছাস প্রকাশ করে বলেন, আমরা গর্বিত ও আনন্দিত এই কলেজের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে। আমাদের সময়ে কলেজটি জাতীয়করণ হওয়ায় আমরা গর্বিত।
জগন্নাথপুর ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক অশেষ কান্তি দে বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এর আন্তরিক প্রচেষ্টা ও মাননীয় প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার সদিচ্ছায় সব বাধা অতিক্রম করে জগন্নাথপুর ডিগ্রী কলেজসহ সারা দেশের ২৭১ কলেজ সরকারীকরণ শিক্ষাক্ষেত্রে মাইলফলক হয়ে থাকবে।
কলেজের প্রভাষক বিজিত বৈদ্য বলেন, জগন্নাথপুর ডিগ্রী কলেজ সরকারীকরণে প্রতিমন্ত্রী এম এএ মান্নান, প্রবীণ রাজনীতিবিদ সিদ্দিক আহমদসহ যারা অবদান রেখেছেন তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
জগন্নাথপুর ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সারাদেশের ২৭১কলেজের মধ্যে আমাদের কলেজ সরকারিকরণ হওয়ায় আমরা খুব আনন্দিত।
জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব বলেন, শিক্ষাবান্ধব আমাদের সংসদ সদস্য অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এর প্রচেষ্টায় জগন্নাথপুর ডিগ্রী কলেজ সরকারীকরণ হওয়ায় অত্র অঞ্চলে শিক্ষার মানবৃদ্ধি পাবে বলে দৃঢ আশাবাদী। আমরা মন্ত্রী এমএ মান্নানের প্রতি কৃতজ্ঞ।
কলেজ পরিচালনা কমিটির সাবেক সদস্য উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু বলেন, আওয ামীলীগ সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন করছে। যার অংশ হিসেবে জগন্নাথপুর ডিগ্রী কলেজ সরকারীকরণ হয়েছে। এতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।
জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আকমল হোসেন বলেন, আওয ামীলীগ সরকার শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। সারাদেশে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পর কলেজ সরকারীকরণ করে শিক্ষার উন্নয নে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ কলেজ পরিচালনা এডহক কমিটির সদস্য সিদ্দিক আহমদ বলেন, জগন্নাথপুর ডিগ্রি কলেজ সরকারীকরণ হওয়ায় এ উপজেলার উচ্চ শিক্ষার মানোন্নয়ন হবে। তিনি কলেজ জাতীয়করণে বিশেষ ভূমিকা রাখায় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, তাঁরমতো একজন সুযোগ্য জনপ্রতিনিধি থাকায় জগন্নাথপুরের শিক্ষাসহ সামগ্রীক উন্নয ন হচ্ছে ।
উল্লেখ্য, একটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত জগন্নাথপুর উপজেলায় সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠিত কলেজ এটি। ১৯৮৭ সালে পৌর এলাকার ভরতপুর মৌজায় সুবিশাল ক্যাম্পাসে কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়। জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সৈয়দ শায়েক আহমদ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে আব্দুন নুর দীর্ঘদিন অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।