জগন্নাথপুরে আলোচিত ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ড, আইন শৃংঙ্খলা সভায় উদ্বেগ

আলী আহমদ, জগন্নাথপুর
জগন্নাথপুর পৌরশহরের ফটো স্টুডিও’র মালিক আনন্দ সরকার (২৩) হত্যাকা-ের এক মাস অতিবাহিত হলেও হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়নি। এমনকি পুলিশ এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তারও করতে পারেনি।
সোমবার দুপুরে জগন্নাথপুর উপজেলার মাসিক আইন শৃংঙ্খলা কমিটির সভায় ব্যবসায়ী আনন্দ সরকার হত্যাকা-ের রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় বক্তারা উদ্বেগ উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। দ্রুত হত্যার কারণ উন্মোচন এবং এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবী জানানো হয়।
জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (এসিল্যান্ড) মোহাম্মদ ইয়াসির আরাফতের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় বক্তব্য দেন জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফারজানা বেগম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাসিম, সিরাজুল হক, শহিদুল ইসলাম রানা, মখলিছ মিয়া, জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) নব গোপাল দাস, জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শংকর রায়, জগন্নাথপুর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা: সায়খুল ইসলাম, বাজার বনিক সমিতির সভাপতি আফছর উদ্দিন, বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহির উদ্দিন, শিক্ষক সাইফুল ইসলাম রিপন, উপজেলা আবাসিক (বিদ্যুৎ) সহকারী প্রকৌশলী পাভেল আহমদ, মাওলানা নিজাম উদ্দিন জালালী প্রমুখ।
আইন শৃংঙ্খলা কমিটির সদস্য শিক্ষক সাইফুল ইসলাম রিপন বলেন, ২০১৯ সালে উপজেলা সদরে সংঘটিত ব্যবসায়ী আনন্দ সরকার হত্যাকা-ের রহস্যের জট এখনও খুলেনি। পুলিশ এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তারও করতে পারেনি। নৃংশস এই হত্যাকা-ে মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত এই হত্যার রহস্য উদাঘটন করে দোষিদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে ন্যায় বিচারের দাবি করেছি আমরা।
২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের পাশে পৌরশহরের কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় আনন্দ ডিজিটাল স্টুডিও’র মালিক আনন্দ সরকারের জবাইকৃত মরদেহ তাঁর দোকানঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। দুর্বৃত্তরা তাকে জবাই করে হত্যার পর দোকানঘর তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়। আনন্দ সরকারের মোবাইলফোনটি খোয়া যায়। ওই দিন সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ পুলিশের ক্রাইন সিন ইউনিট এর একটি দল ঘটনাস্থল পরির্দশন করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) নব গোপাল দাস অজ্ঞাতনামা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আমরা গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি।