জগন্নাথপুরে মাছধরা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুরে জলাশয়ে মাছ ধরা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যে কোন মুহূর্তে অনাকাংক্সিক্ষত ঘটনা করতে পারে বলে আশংকা করছেন স্থানীয়রা। সোমবার এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি শান্ত করে এবং তিনটি জাল জব্দ করেছে। এ ব্যাপারে ইউএনও’র নিকট সোমবার বিকেলে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এলাকাবাসী ও দাখিলকৃত লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের মজিদপুর ও নাদামপুর গ্রামবাসী মিলে কয়েক বছর ধরে স্থানীয় ভূমি অফিস থেকে নাগেরখাল ও সুপারখাল ইজারা নেন। ইজারাকৃত মূল্য বাদে লভ্যাংশ দুইগ্রামের লোকজন ভাগাভাগি করে গ্রামের বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কাজ করেন। এবারও দুই গ্রামবাসী যৌথভাবে ইজারা নেন। পরে মজিদুপর গ্রামবাসীর নিকট থেকে নাদামপুর গ্রামের রজাক মিয়াসহ কয়েকজন সাড়ে সাত লাখ টাকা চুক্তিতে মাছ ধরার জন্য সাবলীজ নেন।
মজিদপুর গ্রামের নুরুল হক জানান,  চুক্তি মোতাবেক টাকা না দেয়ায় আমরা মজিদপুর গ্রামবাসী সোমবার সকালে নাদামপুর গ্রামের লোকজনকে মাছ ধরতে বাধা দিয়েছি। এ নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে তিনটি জাল জব্দ করে নিয়ে আসে।
নাদামপুর গ্রামের রজাক মিয়া জানান, মাছধরা শেষ হওয়ার পর চুক্তি মোতাবেক টাকা দেব বলার পরও তারা অযৌক্তিকভাবে মাছ ধরতে বাধা দিয়েছে।
জগন্নাথপুুরের ইউএনও মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ বলেন, মজিদপুর গ্রামবাসীর পক্ষে একটি অভিযোগ পেয়েছি।
বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়া হবে।
জগন্নাথপুর থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, দুই গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। জগন্নাথপুরের ইউএনও’র দপ্তর থেকে সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোন পক্ষকে মাছ না ধরতে বলেছি।



আরো খবর