জগন্নাথপুরে হাওরের সবক’টি স্লুইস গেট ঝুকিঁপূর্ণ

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুরে ফসল রক্ষা হাওরের সব ক’টি স্লুইস গেট ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছেন। এর মধ্যে পৌরশহরের ইকড়ছই এলাকার স্লুইস গেটের কাঠের পাটাতন ভেঙে ভেঙে পানির ¯্রােতে ভেসে যাচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সরজমিনে দেখা যায়, ওই স্লুইস গেটের উপরের অংশে কাঠের পাটাতন নেই। তবে নিচের অংশ পাটাতন লাগানো রয়েছে। স্লুইস গেটের পাশেই পানিতে একটি কাঠের টুকরো পড়ে থাকতে দেখা গেছে। স্থানীয় এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অবহেলায় অযতেœ পড়ে আছে স্লুইস গেটটি। তিনি জানান, কয়েক বছর আগে স্লুইস গেটের পাটাতন চুরি হয়ে যায়। এর পর থেকে বিকল্প হিসেবে কাঠ দিয়ে স্লুইস গেটাট কোন রকম করে চালানো হচ্ছে। কাঠ পুরানো হয়ে যাওয়ায় কাঠের বিভিন্ন অংশ       পানিতে ভেসে যাওয়া শুরু হয়েছে। এ সব দেখার যে কেউ নেই।   
জানা যায়, জগন্নাথপুরের সর্ববৃহৎ নলুয়ার হাওরের ফসল রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক ৪টি স্লুইস গেট নির্মাণ করা হয়েছিল। স্লুুইস গেটগুলো হচ্ছে নলুয়ার হাওরের ইকড়ছইম ভুরাখালি হামহামি, নয়া চিলাউড়া মনাইখানি ও গাধিয়ালা স্লইস গেট। এর মধ্যে ২০০২ সালের দিকে পৌরশহরের ইকড়ছই পৌরএলাকায় স্লুইস গেটের ষ্টিলের পাটাতন চুরি হয়ে যাওয়ার পর থেকে বিকল্প হিসেবে কাঠ বসিয়ে স্লুইস গেটের কার্যক্রম চলছে। কৃষকরা জানিয়েছে সব ক’টি স্লুইস গেট দিয়ে পানি হাওরে প্রবেশ করে। যে কারণে প্রত্যেকটি স্লুইস গেটের সামনে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়।  
জগন্নাথপুর উপজেলার নলুয়া হাওরপাড়ের বাসিন্দা হাওর বাচাঁও সুনামগঞ্জ বাচাঁও আন্দোলন জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান জানান, হাওরের ফসল রক্ষায় জগন্নাথপুরে ৪টি স্লুইস গেট নির্মাণ করা হয়েছে। এ সব স্লুইস গেট পুনঃসংস্কার না হওয়ায় ঝূঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিটি স্লুইস গেটের নিকটস্থ স্থানে বেড়িবাঁধ দিতে হয়। স্লুইস গেটগুলো দ্রুত সংস্কার করে হাওরের ফসল রক্ষায় দাবি জানিয়েছেন তিনি।  
জগন্নাথপুরের হাওরের দায়িত্বরত কর্মকর্তা সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও  ফয়জুল মিয়া জানান, হাওরের প্রতিটি স্লুইস গেট এবার সংস্কার করা হবে।



আরো খবর