জগন্নাথপুর পৌরসভার পাশে ময়লার ভাগাড়!

আলী আহমদ, জগন্নাথপুর
জগন্নাথপুর পৌরসভার কার্যালয়ের পাশে ময়লা আবর্জনার ভাগাড়! মশা প্রজননে সহায়ক হচ্ছে এই ভাগাড়। এছাড়া পচা দুর্গদ্ধ ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরশহরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া নলজুর নদীর ওপর নির্মিত প্রধান সেতুর পশ্চিমাংশে সেতুর মুখে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ পড়ে আছে। এই ময়লার ভাগাড়ের পাশেই জগন্নাথপুর পৌরসভার অস্থায়ী কার্যালয়। এখানে থেকে প্রায় দুইবছর ধরে পৌরসভার কার্যক্রম চলছে।
স্থানীয়রা জানান, শহরের প্রধান নলজুর নদীর সেতু দিয়ে প্রতিনিয়ত শত শত যানবাহন শহরে চলাচল করছে। এই সেতু দিয়েই শহরে প্রবেশ করতে হয়। শহরের পশ্চিম ও পূর্বাংশের লোকজন প্রতিদিন সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাজে প্রতিদিন যাতায়াত করছেন ওই সেতু দিয়ে। সেতুটির দুই মুখেই ময়লা আবর্জনার স্তুপ রয়েছে। এসব আর্বজনা থেকে দুর্গদ্ধ ছড়াচ্ছে শহরে। দূষিত হচ্ছে নদী। ময়লার ভাগাড়ে পড়ে থাকা পলিথিনে পানি জমে মশা প্রজননে সহায়ক হয়ে ওঠছে। নির্মাণাধীন পুরান পৌরসভার কার্যালয়ের সামনে বৃষ্টির পানি ও পচা আবর্জনা জমে আছে অনেকদিন ধরে।
পৌরশহরের স্থায়ী বাসিন্দা মুজিবুর রহমান বলেন, শহরের প্রবেশদ্বারের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পচা ময়লা আবর্জনার ভাগাড় সৃষ্টি হয়েছে। এসব আবর্জনা পরিস্কার করা হয় না। এজন্য পচা দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষিতকরণের সঙ্গে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে। আবর্জনায় পড়ে থাকা পলিথিনের ব্যাগের জমে থাকা পানিতে জন্ম নিচ্ছে মশা।
আরেক নাগরিক জয়দ্বীপ সুত্রধর বীরেন্দ্র বলেন, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে আশানরূপ পদক্ষেপ নেই পৌর কর্তৃপক্ষের। এখনও গুরুত্বপূর্ণ একাধিকস্থানে ময়লার স্তুপ পড়ে আছে। এসব আবর্জনা থেকে মশা প্রজনন হচ্ছে। সেই সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের ক্ষতির কারণ হয়ে উঠেছে।
জগন্নাথপুর পৌর সচিব মোবারক হোসেন বলেন, এক দুই দিনের মধ্যে ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করা হবে।