জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়কের বরাদ্দ আসছে ৩৫ কোটি টাকা আজ জরিপ শুরু

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়কে দুই উপজেলাবাসীর কয়েক লাখ জনসাধারণের যাতায়াত দুর্ভোগ লাঘবে আগামী অর্থ বছরে বড় বরাদ্দ আসছে। এ সড়কের ২৬ কিলোমিটার সংস্কারের জন্য ৩৫ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এ বরাদ্দ আরো বাড়তে পারে বলে এলজিইডির সূত্রে জানা গেছে। আজ বুধবার থেকে ওই সড়কের নির্মাণ কাজের জরিপ শুরু হবে।
গত সোমবার সড়কের বর্তমান অবস্থা সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল (এলজিইডি) সিলেট বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মহসিন আহমেদের নেতৃত্বে এলজিইডির একটি প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন এলজিইডি সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম মহসিন, সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল আহমেদ, জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার ও বিশ্বনাথ উপজেলা প্রকৌশলী হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া।
জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার বলেন,‘সড়কে জনদুর্ভোগ কমাতে আগামী অর্থ বছরে ৩৫ কোটি টাকার বরাদ্দের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। যার মধ্যে জগন্নাথপুরের ১৩ কিলোমিটার অংশে ২০ কোটি টাকা ও বিশ্বনাথের ১৩ কিলোমিটার অংশে ১৫ কোটি টাকা। এ বরাদ্দ আরও বাড়তে পারে। এই প্রথম জগন্নাথপুরে অংশে বেশি বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারের প্রধান প্রকৌশলী খলিলুর রহমানের নির্দেশে প্রতিনিধিদল সড়কটি পরির্দশন করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। আগামীকাল বুধবার থেকে জরিপ কাজ শুরু হবে।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন দিন ধরে জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়কটি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে হস্তান্তরের দাবি উঠে আসছে। বর্তমান সাংসদ এমএ মান্নান পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এ দাবি আরো জোড়ালো হয়। এ সড়কে কয়েক লাখ মানুষের দুর্ভোগ এড়াতে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান গত ৭ জুন জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী সভায় সড়কটি সওজকে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান। সম্প্রতি সংস্কারহীন জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়কের বেহাল দশা নিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সড়কের করুণ চিত্র নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা করা হয়। ঈদের আগের দিন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে জগন্নাথথপুর-বিশ্বনাথ সড়কের জগনন্নাথপুর অংশের একাধিক স্থানে সৃষ্ট গর্ত আর ভাঙন ইটের সুরকি দিয়ে মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। চলতি মাসেই এ কাজ শেষ হবে।