জামালগঞ্জে ধান নিয়ে ধান্দাবাজি, ১০০ মে. টন, ধান নিয়ে ধূম্রজাল

জামালগঞ্জ প্রতিনিধি
জামালগঞ্জে খাদ্য গোদামে ধান সংগ্রহে লটারি করেছে ধান চাল সংগ্রহ কমিটি। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছরের ২য় পর্যায়ের বরাদ্দে জামালগঞ্জ উপজেলার জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১১৯২ মে: টন ধান।
গেলো কয়েকদিন আগে থেকেই একটি সুবিধাবাদী চক্র ও ধান ব্যবসায়ী প্রশাসনের দু’একজনকে ম্যানেজ করে খাদ্য গোদামে ধান ঢুকানো শুরু করলে স্থানীয় কৃষকরা খাদ্য গোদামের গেইটে বাধা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিগণের জোরালো দাবিতে উপজেলা প্রশাসন চাপে পড়ে লটারি কার্যক্রম করেন।
উপজেলা ধান সংগ্রহ কমিটি কর্তৃক স্থানীয় জনপ্রতিনিধি রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে ১১৯২ মে. টন ধানের লটারী করার কথা থাকলেও ঐদিন তারা ১০৯২ মে:টনের লটারি করে ১০০ মে:টন ধান হাতে রেখে দেন।
১০০ মে:টনের ধানের ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় নিজের দায় এড়িয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপর দিচ্ছেন। আর উপজেলা প্রশাসনের দাবি লটারীর আগেই ৯৪ মে:টন ধান দেওয়া হয়ে গেছে। এবিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে ব্যাপক আলেচনা আর সমালোচনার ঝড় বইছে।
উপজেলা খাদ্য পরির্দশক সালেহ আহমদ অবশ্য বলেছেন, ১০০ মে:টনের ধানের ব্যাপারে আমি অবগত নই, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা পাল বলেন, আমি যখন দেখতে পেলাম কিছু লোক অনিয়মিতভাবে ধান দেওয়া শুরু করেছে, তখন জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে কথা বলে লটারির ব্যবস্থা করেছি।
তিনি বলেন, ওসি এলএসডি প্রথমে ৩০০ মে:টন ধান দেওয়া হয়ে গেছে বলে আমাকে অবহিত করলে আমি তালিকাটা আরো সংক্ষিপ্ত করতে বললে তা ৯৪ মে:টনে এসে দাঁড়ায়।