জামালগঞ্জে বিনাসরিষা-৪ ও বিনাসরিষা ৯ এর মাঠ দিবস

স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল বিনা সরিষা-৪ ও বিনা সরিষা-৯ এর কৃষক পর্যায়ে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাঠ দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার বিকালে জামালগঞ্জের ফেনারবাঁক ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের সামনে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
 “পুষ্টি নিরাপত্তার লক্ষ্যে কৃষিতাত্ত্বিক  
ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ডাল, তেলবীজ এবং দানাজাতীয় ফসলের উচ্চ ফলনশীল এবং প্রতিকূলতা সহনশীলজাত উদ্ভাবন” কর্মসূচির অর্থায়নে সুনামগঞ্জ বিনা উপকেন্দ্র ও জামালগঞ্জের উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
বিনা সুনামগঞ্জ উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং বিনা অফিস সহকারী শহিদুল ইসলামের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিনা’র মুখ্য বৈজ্ঞানিক  কর্মকর্তা ও বিনাসরিষা-৪ এবং বিনাসরিষা-৯ এর উদ্ভাবক ড. মো. আব্দুল মালেক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিনা’র উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক  কর্মকর্তা ড. রেজা মোহাম্মদ ইমন এবং জামালগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. সাফায়েত আহম্মদ সিদ্দিকী।
বক্তব্য রাখেন স্থানীয় উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ক্ষিতিশ চন্দ্র তালুকদার ও স্থানীয় কৃষক প্রতিনিধি মো. তাজ উদ্দিন।
কৃষক তাজ উদ্দিন বলেন,‘আগে আমার জমিতে স্থানীয় জাতের সরিষা একর প্রতি ফলন মাত্র ৭-৮ মণ হত। বিনাসরিষা-৪ ও বিনাসরিষা-৯ জাতের চাষে একর প্রতি ১৬-১৮ মণ পাওয়া যাবে। তাছাড়া জাত দু’টি ৮৫ দিনের মধ্যে পেকে যাওয়ার ফলে সরিষা তুলে একই জমিতে বোরো ধান আবাদ করাও সম্ভব।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাত দু’টির উদ্ভাবক এবং মুখ্য বৈজ্ঞানিক  কর্মকর্তা  ড. মো. আব্দুল মালেক বলেন, ‘দিন দিন আবাদি জমি কমে যাওয়া ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধি করতে হবে। এক ফসলি জমিকে দুই ফসলি জমিতে, দুই ফসলি জমিকে তিন ফসলি জমিতে এবং তিন ফসলি জমিকে চার ফসলি জমিতে পরিণত করতে হবে। এতে পতিত জমি আবাদ হবে এবং কৃষক অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে। এজন্য স্বল্প জীবনকালীন উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবনে ‘বিনা’ গবেষণা করে যাচ্ছে। ’



আরো খবর