জিনারপুর গ্রামের সড়ক পাকাকরণের দাবি

আকরাম উদ্দিন
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের জিনারপুর বাজার হতে জিনারপুর গ্রাম পর্যন্ত মাটির সড়কের বেহাল অবস্থা। দেশ স্বাধীনের পর সড়কে মাটি ভরাট হলেও পাকাকরণের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এই কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে মানুষের ভোগান্তি এখন চরমে। তাই এই সড়ক দ্রুত পাকাকরণের দাবি গ্রামবাসীর।
গ্রামের বাসিন্দা আবুল কাশেম, নাজিম উদ্দিন, হাজী শহীদুল্লাহ, মো. আনিছুর রহমান, আনু মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুছ সাত্তার, আতর আলী, নজরুল ইসলাম, মাকসুদুর রহমান ও আনোয়ার হোসেন জানান, এই মাটির সড়ক দিয়ে রামপুর, মনিপুরীহাটী, ভাদেরটেক, চালবন্দ, বালাকান্দা, সৈয়দপুর, হুড়ারকান্দা প্রভৃতি এলাকার মানুষ জিনারপুর বাজারে আসা-যাওয়া করেন। সারা বছর সবজি পাইকারী বেচাকেনার ঐতিহ্যবাহী বাজার উপজেলার জিনারপুর। প্রায় ৪০ বছর ধরে জিনারপুর গ্রামের মাটির সড়ক দিয়ে মালবাহী যানবাহন চলাচল করে আসছে। বৃষ্টির দিনে এই সড়কে কয়েক হাজার মানুষ চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হন। সড়কের কোনো কোনো স্থান বৃষ্টিপাতের কারণে ভেঙে গেছে। আবার কোনো কোনো স্থানে কাদার সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের ভোগান্তি নিরসনে এবং এলাকার মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে এই সড়কের দ্রুত পাকাকরণে দাবি গ্রামবাসীর।
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এখলাছুর রহমান বলেন,‘দেশ স্বাধীনের পর থেকে জিনারপুর গ্রামের সড়কের উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন হয়নি। এই সড়কটি এখনও কাঁচা সড়ক হিসাবে অবহেলিত রয়েছে। এলাকার মানুষের জীবনমানের উন্নয়নের লক্ষ্যে এই সড়ক পাকাকরণ জরুরি প্রয়োজন।’
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা আ.লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মহরম আলী বলেন,‘সবজি প্রধান এলাকা হিসাবে জিনারপুর বাজার অন্যতম। এই বাজারের সাথে সংযুক্ত দুইটি যোগাযোগ সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে জিনারপুর গ্রামের সড়ক অন্যতম। কিন্তু এই সড়কটি দেশ স্বাধীনের পর থেকে মারাত্মকভাবে অবহেলিত। আমরা এই সড়কের পাকাকরণের দাবি জানাই।
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী মো. ফজলুর রহমান তালুকদার বলেন,‘জিনারপুর গ্রামের সড়কের পাকাকরণ কাজের পরিকল্পনা আছে। পর্যায়ক্রমে পাকাকরণের কাজ করা হবে। এই সড়কের পাকাকরণের জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’