জুনে শেষ হবে ভবন নির্মাণ কাজ

স্টাফ রিপোর্টার
শহরের আলীপাড়া এলাকায় দক্ষিণ দিকে ৩ একর জায়গার উপর ‘ইস্টাবলিস্টমেন্ট অফ ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ টেকনোলজী (আই.এইচ.টি)’ নামের প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ কাজ চলছে। এই প্রতিষ্ঠানের ভবণ নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে গত বছরের ১৫ জানুয়ারী। কাজ শেষ হবে আগামী বছরের ১৪ জানুয়ারী।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স বিবিএল এন্ড এমটি (জেভি) এই প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ কাজ করছে। এতে নির্মাণ ব্যয় নির্ধারণ হয়েছে ৩৫ কোটি ৯৭ লাখ ৬৫ হাজার ২৫১ টাকা। এই ভবনের নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (এইচইডি) সিলেট ডিভিশন।
এই প্রতিষ্ঠানটি চালু হলে কম্পাউন্ডার, ফার্মাসিস্ট, এক্স-রে টেকনিশিয়ান, ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান, প্যাথলজিস্ট, রেডিওগ্রাফার কোর্স সম্পন্ন করা যাবে। এই প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরণের রক্ত পরীক্ষা, আলট্রাসনোগ্রাফি এবং বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই প্রতিষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রশিক্ষণার্থীরা ভর্তি হতে পারবেন। চিকিৎসা সেবার বিভিন্ন কোর্সে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীর জীবনমানের উন্নয়ন হবে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ইস্টাবলিস্টমেন্ট অফ ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ টেকনোলজী (আই.এইচ.টি) ভবন চালু হলে পল্লী চিকিৎসকেরা, ডিপ্লোমা কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীরা রেডিওলজি, প্যাথলজি, টেকনোলজীসহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়ার ব্যবস্থা হবে। এতে সুনামগঞ্জের রোগীরা স্বাস্থ্য বিষয়ক পরীক্ষা-নিরীক্ষার হয়রানি থেকে অনেকটা মুক্তি পাবে।
সাবেক সিভিল সার্জন এবং বাংলাদেশ মেডিকেল এসাসিয়েশন জেলা শাখার সভাপতি ডা. আব্দুল হাকিম বলেন, ‘ইস্টাবলিস্টমেন্ট অফ ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ টেকনোলজী (আই.এইচ.টি)’ নামের প্রতিষ্ঠান চালু হলে সুনামগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রশিক্ষণার্থীরা ভর্তি হতে পারবেন। পড়াশোনায় ৪ বছরের ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করবে এবং চূড়ান্ত পরীক্ষায় পাশ করার পর যেকোনো সরকারী হাসপাতালে ইন্টার্নীশীপ করার সুযোগ হবে। পরে সরকারী বা বেসরকারী কোনো স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করারও সুযোগ হবে। সিভিল সার্জন ডা. শামস্ উদ্দিন বললেন, ইস্টাবলিস্টমেন্ট অফ ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ টেকনোলজী (আই.এইচ.টি) ভবন চালু হলে এই জেলার মানুষেরা প্রশিক্ষণ নিতে পারবে। ৪ বছরের ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করার পর যে কোনো স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করার সুযোগ হবে। করোনার ভয়াবহতা না হলে ভবনের কাজ আগামী বছরের জুন মাসে শেষ হতে পারে।