জেলরোড মহিলা কলেজ ক্যাম্পাসের সুরক্ষা নেই

আকরাম উদ্দিন
শহরের জেলরোড এলাকায় ব্যবসায়ীদের কাঁচামাল বিক্রি ও মুদি দোকানের মালামাল উঠানামার গাড়ি পার্কিং করায় শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা নানা ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছেন। এই ভোগান্তি কমিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য একাধিক পথচারির।
জেলরোড এলাকায় মহিলা কলেজের বর্ধিত ক্যাম্পাস। কিন্তু এই ক্যাম্পাসের সামনে পুরাতন জেল মসজিদ এলাকা থেকে শুরু করে জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মার্কেট পর্যন্ত অস্থায়ী কাঁচামালের দোকান বসায় এবং মুদি মালের গাড়ি পার্কিং করায় মানুষ ও ছোট যান চলাচলে নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়ে আসছে। এছাড়া মহিলা কলেজ ক্যাম্পাস এলাকায় পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন ব্যবসায়ী বলেন,‘এই সবজি বিক্রেতারা পঁচা সবজি ও বর্জ্য জেলের পুকুরে ফেলে দেন। আশপাশ এলাকার বেশিরভাগ ব্যবসায়ী দোকানের ময়লা এই পুকুরে ফেলেন। এতে পুকুরের পরিবেশ নোংরা হচ্ছে।’
সাহেবনগর গ্রামের অস্থায়ী সবজি বিক্রেতা আব্দুল বারীক বলেন,‘শহরে কোথাও সবজি বেচার-কেনার নির্দিষ্ট জায়গা নেই। তাই কিছু সময় এই রোডে বসে সবজি বিক্রি করি। আমার মত এই রোডে অনেকে অস্থায়ী দোকান সাজিয়ে সবজি বিক্রি করে আসছেন। শহরের মানুষের জন্য এই সবজি নিয়ে এসে বিক্রি করি।’
সবজি ক্রেতা মোহাম্মদ রিপন বলেন,‘এবারের শীত মওসুমের সবজি বাজারে কম। শহরে বসার জায়গা নেই। তাই সবজি নিয়ে আসছেন না ব্যবসায়ীরা। সামান্য সবজি নিয়ে রাস্তার পাশে অস্থায়ীভাবে বসেন একাধিক ব্যবসায়ী। তাদের কাছ থেকে প্রতিদিন সকালে সবজি কিনে নিই।’
পথচারী আবুল হায়াত বলেন,‘সকালে সবজির দোকান থাকায় চলাচলে সমস্যা হয় মানুষের। এই রাস্তায় আবার বড় গাড়িও ঢুকে মাল নামায়। এতে যানজটের সৃষ্টি হয়। সমস্যায় পড়েন কলেজগামী মহিলা শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তায় মুদি মালের পাইকারী ব্যবসায়ীদের বড় গাড়ি ক্যাম্পাসের সামনে পার্কিং করে মালামাল নামানো হচ্ছে। এতে মানুষ ও ছোট আকারের যানবাহন চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হয়ে আসছে। এই সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এগিয়ে আসা উচিৎ।’